Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 14/05/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

বিদ্যুৎ দপ্তরের গাফিলতিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত ব্যবসায়ী, বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের

Loading... রাজ্য
বিদ্যুৎ দপ্তরের গাফিলতিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত ব্যবসায়ী, বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের
#News #Death #Ramnagar Police Station #Protest #Ramnagar #Digha #East Medinipur #West Bengal #India #রাম্নগর #পূর্ব মেদিনীপুর #সংবাদ

নিজস্ব সংবাদদাতা, পূর্ব মেদিনীপুর: বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে। ওই ব্যাক্তির মৃত্যুর জন্য গ্রামবাসীরা বিদ্যুৎ দপ্তরের গাফিলতির অভিযোগ তুলে রাস্তায় বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। রাত থেকে সকাল পর্যন্ত মৃতদেহ আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন গ্রামবাসীরা। মৃতদেহ উদ্ধার করতে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসতে হয় পুলিশকে। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর থানার বড়রাঙ্ককুয়া এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে মৃত ব্যাক্তির নাম নিমাই জানা (৩৫)। তিনি রামনগর থানার পশ্চিম করঞ্জি গ্রামের বাসিন্দা।

{link} 

স্থানীয় সূত্রের খবর, মৃত নিমাই জানা সৈকত নগরী দীঘায় মসলা মুড়ির ব্যবসায়ী। সাম্প্রতিক দুদিন আগে বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত নিম্নচাপের জেরে ঝড় ও বৃষ্টি হয়। উপকূলবর্তী রামনগর সহ বিস্তীর্ণ এলাকায়  একাধিক গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কোথাও কোথাও বিদ্যুতের লাইন রাস্তার উপর এখনও পড়ে রয়েছে। শনিবার রাত্রি ১১ টা  নাগাদ সৈকত নগরীর দিঘায় মশলা মুড়ি বিক্রি করে সাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। আচমকা রাস্তার পাশে বিদ্যুৎ লাইনে পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনার খবর পেয়ে গ্রামবাসীরা মৃতদেহের পাশে জড়ো হন। খবর পেয়ে হাজির হয় রামনগর থানার পুলিশ। মৃতদেহ তুলতে গেলে পুলিশকে বাঁধা দেয় গ্রামবাসীরা। বিক্ষোভ ও বাধা পেয়ে কার্যত মৃতদেহ তুলতে ব্যর্থ হয় রামনগর থানার পুলিশ। তাই সেই রাতে মৃতদেহ না তুলে ফিরে আসতে হয় পুলিশকে। সকাল হতেই ঘটনাস্থলে হাজির হয় রামনগর থানার পুলিশ। আবারো পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন গ্রামবাসীরা। তাদের দাবি অবিলম্বে মৃত ব্যাবসায়ীর পরিবারকে সব রকমের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

{link} 

এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন " রাতে ব্যবসা করে বাড়ি ফেরার সময় রাস্তায় পড়ে থাকা বিদ্যুতের লাইনে পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। বিদ্যুৎ দপ্তরে একাধিকবার ফোন করে লাইন সারানো কথা জানানো হলে তারা জানিয়ে দেন আপনারা নিজেরা মেরামত করে নিন। রাতেই পুলিশ এসেছিল। আমরা মৃতদেহ তুলতে দিইনি। তার পরেই তারা ফিরে যায়। আমরা কোন পরিষেবা পাচ্ছি না। উপযুক্ত কোন ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস না দিলে আমরা মৃতদেহ তুলতে দেবো না "।


 

সর্বশেষ আপডেট: