নিজস্ব সংবাদদাতা,নদীয়াঃ আবারো ধর্ষণের অভিযোগ নদীয়ায়। এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির শ্যালকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি নদীয়ার কৃষ্ণগঞ্জ থানার ভাজন ঘাট এলাকার। অভিযোগ ধারালো অস্ত্র দিয়ে ভয় দেখিয়ে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ওই নাবালিকাকে ধর্ষণ করে বছর ৫৫ এক ব্যাক্তি। অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার অভিযুক্ত কান্ত হালদার(৫৫)।
{link}
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ তারিখে ওই নাবালিকা বাড়ি থেকে ভাজন ঘাট ব্রিজ এলাকায় ছাগল চড়াতে গিয়েছিল। সেখানেই তৃণমূল নেতার শ্যালক অভিযুক্ত কান্ত হালদার তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ভয় দেখিয়ে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে ওই নাবালিকাকে প্রাণে মেরে ফেলার ভয়ও দেখানো হয়। প্রথমে ওই নাবালিকা ভয়ে কিছুই জানাতে চায়নি তার পরিবারকে। কিন্তু পরের দিন তার বাড়ির লোক আবারও তাকে ছাগল চড়াতে যাওয়ার কথা বললে সে যেতে অস্বীকার করে। এর পরেই তাকে কারণ জানতে চাইলে পুরো ঘটনাটি সে পরিবারকে জানায়। ঘটনাটি জানার পরেই পরিবারের সদস্যরা কৃষ্ণগঞ্জ থানায় এদিন একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত কান্ত হালদার কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত কান্ত হালদারের জামাইবাবু অশোক হালদার তৃণমূলের কৃষ্ণগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এটা খুবই নিন্দনীয় ঘটনা। যদি এই ঘটনাটি ঘটে থাকে তাহলে অবশ্যই তার উপযুক্ত শাস্তি হওয়া উচিত। তিনি তার আত্মীয় হলেও তাকে শাস্তি পেতে হবে।
{link}
এর পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, বিরোধীরা শাসক দলকে কালিমালিপ্ত করার জন্য বিভিন্ন চক্রান্ত চালাচ্ছে। তাই এই ঘটনার সঙ্গে আমার কোন সম্পর্ক থাকবে না। এ বিষয়ে বিজেপির নদীয়া দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলার মহিলা মোর্চা সম্পাদিকা মনীষা বিশ্বাস বলেন, অবিলম্বে এই ঘটনার উপযুক্ত শাস্তি দাবী করছি আমরা। যদিও অভিযুক্ত তার ভুল স্বীকার করেছেন। পাশাপাশি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তিনি। পরিবারের তরফ থেকেও অভিযুক্তকে কঠোর শাস্তির দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
