নিজস্ব সংবাদদাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: দুমাস আগে খুন হয়েছিলেন আলফিকার নামে বারুইপুরের এক অটো চালক। পরিবারের করা অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে এবার দোষীদের গ্রেফতার করলেন বারুইপুর থানার পুলিশ। জানা যায় খুনের নেপথ্যে রয়েছে ওই অটোচালকের প্রেমিকা ও তার স্বামী। পুলিশ সূত্রের খবর, অভিযুক্তদের নাম রাজু মীর ও তৃষা রায়।
{link}
মৃত অটো চালকের বাবা আয়ুব আলি গাজী বলেন, গত ২২ জুন রাতে তাঁর ছেলে বাড়ি থেকে অটো নিয়ে বেড়িয়েছিল। বাড়িতে জানিয়েছিল নরেন্দ্রপুরে যাচ্ছেন তিনি। ২৩ জুন সকাল ১০টায় হঠাৎ তিনি খবর পান বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে ছেলে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায় ছেলে বারুইপুরের সুবুদ্ধিপুরে অরুপ ভদ্র সরনীর কাছে রাস্তায় পড়েছিল। এরপর তাঁকে মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ২৪ জুন মারা যান তিনি। আয়ুব আলি গাজীর অভিযোগ, ছেলের সঙ্গে বারুইপুরের সুবুদ্ধিপুরের এক মেয়ের অবৈধ সম্পর্ক তৈরী হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, সেই মেয়ের পরিবার ও তাঁর সঙ্গী মিলে তাঁর ছেলেকে খুন করে রাস্তায় ফেলে দিয়ে চলে যায়। এ বিষয়ে পুলিশ জানিয়েছে, আলফিকার দীর্ঘদিন ধরে চাইছিল তাঁর প্রেমিকার স্বামী রাজু মীর কে সরিয়ে দিতে। ঘটনার কয়েকদিন আগেই আলফিকার তাঁর প্রেমিকার স্বামীকে বেধড়ক মারধর করে।
{link}
পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, ঘটনার দিন অর্থাৎ ২২ জুন রাজু মীর কে আলফিকার ফোন করে ধমকি দেয় তৃষাকে ডিভোর্স দেওয়ার জন্য। তাঁর স্বামীকে ফোনে গালাগালাজও করেন। তারপরেই সেই রাতে সোনারপুরের বাড়ি থেকে রাজু মীর বারুইপুরের সুবুদ্ধিপুরে যান। ওই রাতে দুজনের মধ্যে ব্যাপক বচসা বাঁধে তৃষা কে নিয়ে। শুরু হয়ে যায় দুজনের মধ্যে হাতাহাতি। সেই সময় আলফিকার রাস্তায় পরে গিয়ে মাথায় আঘাত পায়। এর জেরেই রক্তক্ষরনে মৃত্যু হয় আলফিকারের। আপাতত দোষীরা পুলিশের হাতে ধরা পড়ায় মৃতের পরিবার অনেকটাই আশ্বস্ত। তাঁরা চান অভিযুক্তরা যেন কড়া শাস্তি পায়।
