নিজস্ব সংবাদদাতা, দক্ষিণ দিনাজপুরঃ রাস্তা নয়, এ যেন ঠিক কাদায় ডোবা জমি। বর্ষার শুরুতেই এক হাঁটু কাদায় ডুবেছে রাস্তা। বেশি বৃষ্টি হলে আবার রাস্তার উপরের জমা জলেই চলছে ভেলা-নৌকা। শুনতে কিছুটা অবাক মনে হলেও বেহাল এই রাস্তাটি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপন বিধানসভা কেন্দ্রের বোয়ালদার গ্রাম পঞ্চায়েতের ধরমপুর এলাকার। ক্ষোভে আজও ফুঁসছেন এলাকার বাসিন্দারা। আশ্বাসের পর আশ্বাস মিললেও তৈরি হয়নি রাস্তা। তাই অবিলম্বে রাস্তা সারাইয়ের দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
{link}
গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ৪নং বোয়ালদার গ্রাম পঞ্চায়েতের রহতুল থেকে কয়রাকল শ্মশান পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার রাস্তা দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশী সময় ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। প্রতিদিন ওই রাস্তা দিয়ে খোরকাডাঙ, কয়রাকল, রহতুল, রাজুয়া, বড়মপুর, ভাটরা সহ বেশকিছু গ্রামের প্রায় ২০-২৫ হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি সংস্কার না হওয়ায় বর্তমানে ঐ রাস্তাটিতে চলাচল করা কার্যত দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। রাস্তা নির্মাণ না হওয়ায় বর্তমানে মাটির রাস্তাটির অধিকাংশ জায়গা যেমন খানা খন্দে পরিণত হয়েছে তেমনি বর্ষা নামলেই রাস্তায় জমে প্রায় হাটু সমান কাদা। ফলে এই রাস্তা দিয়ে বর্ষাকালে গাড়ি চলাচল তো দূরের কথা সাইকেল নিয়ে যাতায়াত করতেও নাভিশ্বাস ওঠার অবস্থা স্থানীয় বাসিন্দাদের। আর এই নিয়েই ক্ষোভে ফুঁসছেন ওই এলাকার বাসিন্দারা। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বর্ষা আসলেই রাস্তাটির কিছুটা অংশ পার হতে ভেলা নৌকা ব্যবহার করতে হয়। ৫ বছরেরও বেশী সময় ধরে স্থানীয় পঞ্চায়েতে থেকে জেলা পরিষদে বা বিডিও অফিস সব জায়গায় রাস্তা নির্মাণের আর্জি জানিয়েও কোন ফল পাননি এলাকাবাসীরা। তাই নেতাদের আশ্বাসে ভরসা উঠেছে গ্রামবাসীদের। আজ তারা তাকিয়ে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর দিকে।
{link}
রহতুল গ্রামের এক বাসিন্দা বলেন, জরুরী প্রয়োজনে এই রাস্তা দিয়ে কোন রোগীকেও নিয়ে যাওয়া যায় না। এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে চোখের জল ফেলতে হয়। বালুরঘাট পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কল্পনা কিস্কু বলেন, ধরমপুরের দিকে রাস্তাটিকে বিভিন্ন স্কিমে তুলে ধরা হয়েছে। ধরমপুরের এস.এস.কে স্কুল থেকে কয়রাকল অবধি রাস্তা পাশও হয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, ফান্ডের জন্য রাস্তাটা হচ্ছে না। ফান্ড চলে আসলে অবশ্যই রাস্তাটা হবে৷
