Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 10/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

সাফাইকর্মী দিচ্ছেন ইঞ্জেকশান,নদীয়ার সরকারি পশু হাসপাতালে অদ্ভুতভাবে চলছে চিকিৎসা

Loading... রাজ্য
সাফাইকর্মী দিচ্ছেন ইঞ্জেকশান,নদীয়ার সরকারি পশু হাসপাতালে অদ্ভুতভাবে চলছে চিকিৎসা
#News #Cleaners are giving injections instead of doctors #Government veterinary center #Shantipur #Motiganj #Nadia #West Bengal #India #নদীয়া #সংবাদ

নিজস্ব সংবাদদাতা,নদীয়াঃ চিকিৎসকের বদলে সাফাই কর্মী দিচ্ছেন ইঞ্জেকশান। নাইট গার্ড দিচ্ছেন ঔষধ। শুনতে অবাক লাগলেও নদীয়ার শান্তিপুর থানার মতিগঞ্জ মোড়ের পশু চিকিৎসা কেন্দ্রে দেখা গেল কিছুটা এমনই চিত্র। এলাকাবাসীদের অভিযোগ, নামেই রয়েছে সরকারি পশু চিকিৎসা কেন্দ্র। অথচ নেই পশু চিকিৎসার চিকিৎসক। কোনরকমে কম্পাউন্ডারের মাধ্যমে চলছে সেই  চিকিৎসা কেন্দ্র।

{link}

প্রাণের থেকেও বেশি ভালোবেসে যারা অবলা জীবদের লালন পালন করেন, সেই সব পশুপ্রেমী মানুষরা অসুস্থ পশুদের বাধ্য হয়েই নিয়ে যান ওই পশু চিকিৎসা কেন্দ্রে। কিন্তু চিকিৎসকের অভাবে সেইসব পশুরা ঠিকমতো চিকিৎসা পায় না। ফলে অনেকেরই দীর্ঘদিনের গৃহপালিত পশু চিকিৎসার অভাবে মারা যাচ্ছে। স্থানীয় পশুপ্রেমীদের অভিযোগ, দীর্ঘ তিন বছর ধরে হাসপাতালে কোন চিকিৎসক নেই। কম্পাউন্ডার ও নাইটগার্ডেরা না বুঝেই পশুদের ইঞ্জেকশন দিচ্ছেন এমনটাই অভিযোগ গবাদি পশু পালন করা কৃষকদের। কার্যত বিনা চিকিৎসার অভাবেই পশুরা মারা যাচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কে এ বিষয়ে একধিকবার জানিয়েও কোন লাভ হয়নি বলে অভিযোগ পশুপ্রেমীদের। যদিও এ কথা স্বীকার করে নিয়েছেন ওই পশু চিকিৎসা কেন্দ্রের ফার্মাসিস্ট কৃষ্ণচন্দ্র মৃধা। তিনি জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তাদের কিছু করার নেই। এই হাসপাতালের ডাক্তার অবসর গ্রহণ করেছেন। নতুন কোন ডাক্তার এখনও নিয়োগ করা হয়নি। তাই তারা যতটা জানেন সেই মতই চিকিৎসা করার চেষ্টা করেন। এর বেশি কিছুই তারা বলতে পারবেন না। স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান,ওই এলাকায় কার্যত জঙ্গলে রাজত্ব চলছে। হাসপাতালে পশুদের জন্য কোন ওষুধ নেই। ডাক্তারও পাওয়া যায় না। তাই বাধ্য হয়েই তিনি তার পোষ্যকে প্রাইভেট ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান।

{link} 

শান্তিপুর সুত্রাগড় সেন পাড়ার বাসিন্দা সঞ্জয় বিশ্বাস নিজের ৭৫ হাজার টাকা দামের গরু স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গিয়েও বাঁচাতে পারেননি। তার অভিযোগ, হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে কোন ডাক্তার নেই। ঔষধ পত্র পাওয়া যায় না। ৮ হাজার টাকা খরচ করে তিনি তার গরুকে বাঁচাতে পারেননি।  ওই পশু চিকিৎসাকে কেন্দ্র করে শান্তিপুরের মানুষের ক্ষোভ দিন দিন বাড়ছে। যদিও এ বিষয়ে ফুলিয়ায় অবস্থিত প্রাণী সম্পদ দপ্তরের আধিকারিক মুখ খুলতে চাননি। অথচ হাসপাতালের ডাক্তার অবসর গ্রহণ করার পরেও নতুন করে কেন চিকিৎসক নিয়োগ করা হয়নি, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। কেনই বা পাওয়া যায় না পশুদের চিকিৎসার ওষুধ, মেলেনি সেই প্রশ্নের উত্তর।


 

সর্বশেষ আপডেট: