এরকমও হয়! কোভিড সংবাদের এতো ভয়াবহ চিত্রের মাঝে এবার কার্যত উঠে এলো একটি চাটুকে সংবাদ। কোন এক কোভিড হাসপাতালের এক কর্মী হঠাতই দেখেন কে একজন ভোর ভোর হাসপাতালের কার্নিসে বসে পা দোলাচ্ছে। তারপরেই বোঝা যায় একজন করোনা রুগী চড়ে বসেছেন সেইখানে। লক্ষ্য কি? লক্ষ একছুটে পলায়ন করা… সৌভাগ্যবশত কার্নিস বেয়ে পালানোর আগেই ধরা পড়ে গেলেন তিনি। মঙ্গলবার সকালে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ঘটনায় চাঞ্চল্য। খবর পেয়ে এলাকায় আসে দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর। পিপিই কিট পরে বেশ খানিক্ষন ধরে সাধ্যি সাধনা করার পর চারতলার কার্নিস থেকে তাঁকে উদ্ধার করেন তারা।
{link}
কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের একটা বড় অংশে ভর্তি করা হচ্ছে করোনা রোগীদের। আজ, মঙ্গলবার ভোরে হঠাতই চারতলার কার্নিসে করোনা সংক্রমিত এক রোগীকে বসে পা দোলাতে দেখেন হাসপাতালের এক কর্মী। দেখামাত্রই শোরগোল পড়ে যায়। খবর দেওয়া হয় দমকলে। ডেকে পাঠানো হয় বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের লোকজনকেও। বড় মই লাগিয়ে পিপিই কিট পরে ওই ব্যক্তিকে কার্নিস থেকে নামিয়ে ওয়ার্ডে ফেরত পাঠানো হয়। পরে হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ওয়ার্ড থেকে পালাতে চেয়েছিলেন ওই করোনা রোগী। সেজন্য প্রথমে চেষ্টাও করেন তিনি, চেষ্টায় সাফল্যও আসে পালাতে সক্ষমও হন তিনি। পরে যখন ভেবে দেখেন, চারতলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে হাত-পা ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তখনই বাতিল করেন পরিকল্পনা। কার্নিসে বসে বসে পা দোলাতে থাকেন তিনি। ওই করোনা রোগী ঘণ্টা দেড়েক কার্নিসে বসে পা দোলাচ্ছিলেন বলে দাবি স্বাস্থ্যকর্মীদের। ভাবা যায়!
{link}
তবে ওই রোগী নিরাপত্তার ফাঁক গলে কীভাবে ওয়ার্ড থেকে বেরলেন, তা এখনও জানা যায়নি সেখানেই উঠছে প্রশ্ন। তিনি যদি চারতলার ওই কার্নিস থেকে ঝাঁপ দিতেন, তাহলে কী হতে ভেবেই চিন্তিত ওই রোগীর পরিবার। স্বাভাবিক ভাবে একটু হলেও প্রশ্ন উঠছে হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যাবস্থা নিয়ে।
.jpeg)
