সুদেষ্ণা মন্ডল, দক্ষিণ ২৪ পরগনাঃ চলতি বছরের জুন মাস থেকেই ইলিশ মাছ ধরার মরশুম শুরু হয়ে গিয়েছে। ভোজনরসিক বাঙালির রসনা তৃপ্তির জন্য গভীর সমুদ্রে পাড়ি দিয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কয়েক হাজার ট্রলার। কিন্তু তারইমধ্যে ভারতীয় জলসীমানা অতিক্রম করে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করার অভিযোগে বাংলাদেশের উপকূল রক্ষী বাহিনীর হাতে আটক হল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৮ টি ট্রলার সহ ১৩৫ জন মৎস্যজীবী।
{link}
ইলিশের মরশুমের শুরুতেই একের পর এক ট্রলার দুর্ঘটনায় ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে মৎস্যজীবীদের। মাছ ধরার মরশুম চলাকালীন দুই দেশের জল সীমানা অতিক্রম করে অন্য দেশে ঢুকে পড়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। মৎস্য দপ্তর সূত্রে খবর, ভারতবর্ষে চলতি বছরের জুন মাসে মাছ ধরার মরশুম শুরু হলেও এখনও প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশে মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। প্রতিবছর, ২ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে বাংলাদেশের মৎস্যদপ্তর। কাকদ্বীপ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিজন মাইতি জানান, বুধবার সকালে কয়েকজন মৎস্যজীবী ফোনের মাধ্যমে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি বলেন, ভারতীয় কিছু মৎস্যজীবী সীমানা অতিক্রম করে বাংলাদেশে ঢুকে পড়ার কারণে বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলায় মোগলাপোট থানায় ১৩৫ জন মৎস্যজীবি সহ ৮ টি ট্রলার আটক করে রেখেছে বাংলাদেশের উপকূল রক্ষী বাহিনী।
{link}
ওই ১৩৫ জন মৎস্যজীবী দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপের বাসিন্দা। কিভাবে মৎস্যজীবিরা বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করল তা তদন্ত শুরু করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই মৎস্য দপ্তরের পক্ষ থেকে মৎস্যজীবীদের ভারতে ফেরানোর জন্য যথাযথ ব্যাবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও ভারত সরকারের বিদেশ মন্ত্রকের সঙ্গে মৎস্যজীবীদের ফেরানোর জন্য কথাবার্তা চালাচ্ছে জেলা মৎস্য দপ্তর।
