নিজস্ব সংবাদদাতা,উত্তর ২৪ পরগনাঃ চারদিন আগে নেশামুক্তি কেন্দ্রে ভর্তি করা হয় বছর বাইশের এক যুবক কে। কিন্তু মঙ্গলবার সকালে হঠাৎ পরিবারের লোকজনের কাছে খবর আসে ছেলে মারা গেছে। ছেলের মৃত্যু সংবাদ শুনে রীতিমত হতবাক তার পরিবার। ঘটনাটি উত্তর ২৪ পরগনার বেলঘড়িয়া যতীন দাস এলাকার। মৃত ওই যুবকের নাম সুমন সর্দার। এই ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
{link}
পরিবার সূত্রে খবর, সুমন তার মায়ের সঙ্গে কেষ্টপুরে থাকতেন। ৪ দিন আগে সুমন কে তার পরিবারের লোকেরা নেশা ছারানোর জন্য বেলঘড়িয়ার নেশা মুক্তি কেন্দ্রে ভর্তি করেন। তার পর থেকেই যুবকের পরিবার বারবার ভিডিও কলের মাধ্যমে তার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও কর্তৃপক্ষ কোন যোগাযোগ করতে দেয়নি বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার সকালে নেশামুক্তি কেন্দ্র থেকে ওই যুবকের বাড়িতে ফোন করে জানানো হয় তার শারীরিক অবস্থা খুব খারাপ। এরপর তার পরিবারের সদস্যরা নেশামুক্তি কেন্দ্রে পৌঁছানোর এক ঘন্টা পর জানতে পারেন তাদের ছেলে মারা গেছে। ওই বেসরকারি কেন্দ্রটির দাবি মঙ্গলবার সকালে সুমন হার্ট অ্যাটাকে মারা যায়। এরপরেই তার পরিবারের লোকজন এবং আশপাশের বাসিন্দারা ওই নেশা মুক্তি কেন্দ্রে ব্যপক ভাঙচুর চালায়।
{link}
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই কেন্দ্রে ভর্তি হওয়া রোগীদের ওপর নেশা ছারানোর নাম করে মারধর করা হতো। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, তাদের পরিবারের ছেলেকে কোন চিকিৎসা না দিয়ে উল্টে মারধর করে মেরে ফেলা হয়েছে। এই ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে আসে বেলঘরিয়া থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। ঘটনায় ২ জন কে আটক করেছে বেলঘড়িয়া থানার পুলিশ। মৃতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
