এক সময় বাংলার মানুষের অন্যতম প্রিয় এই পর্যটন কেন্দ্র পরিপূর্ন থাকত পর্যটকে, হোটেলে ঘর পাওপাও দুঃসাধ্য ব্যাপার ছিল। আজ যশ পরবর্তী কালে সেই পর্যটন কেন্দ্র দীঘা যেন একটি মরুভূমির তে পরিনত হয়েছে। দীঘা থেকে হলদিয়া পর্যন্ত ৭২ কিলোমিটার সমুদ্র বাধে কার্যত বিধ্বস্ত পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মাছের ভেড়ী গুলির সম্পূর্ণ জলের তলায়। যে ছবিটা সামনে আসছে সেটা স্বাভাবিক ভাবেই বেদনা দায়ক।
{link}
উল্লেখ্য বিষয় ইতি মধ্যেই প্রশাসনিক আধিকারিক দের নিয়ে বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রীর, এবং যত দ্রুত সম্ভব পর্যটন কেন্দ্র কে নতুন করে ঢেলে সাজানো যায় তার কাজ আবিলম্বে শুর করার নির্দেশ দেন। গত কাল তিনি সৈকতাবাস থেকেই বেরিয়ে পায়ে হেঁটে দীঘার সমুদ্র সৈকতের ভাঙা চোরা অবস্থা ক্ষতিয়ে দেখেন এবং তার পাশাপাশি যেসমস্ত দোকান গুলি জলের তলায় চলে গেছে সে গুলি ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং হাত নাড়িয়ে তাদের আশ্বস্তও করেন তিনি। ইতি মধ্যেই তিনি দীঘা শঙ্কর পুর উন্নয়ন পর্ষদের জন্য ও সুন্দরবন উন্নয়ন পর্ষদের অধীন এলাকার উন্নয়নের জন্য ২০ হাজার কোটি টাকা দেওয়ার আবেদন তিনি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে। সেই সঙ্গেই তিনি বলেছেন প্রতি বছর সমুদ্র ভাঙ্গন রোধে তিনি ম্যনগ্রোভ অরন্য লাগানোর পরামর্শ দেন। তিনি আরও বলেন এক ধরনের ঘাস পাওয়া যায়, যা দিয়ে সমুদ্র ভাঙ্গন রোধ করা যায় তার পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।
{link}
সবদিক থেকেই একথা স্পষ্ট যে ঘুর্নিঝড় ইয়াশের তান্ডবে দীঘায় বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সেই ক্ষয়ক্ষতি মেরামত করতেই কার্যত কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে প্রশাসন। এখন কবে আবার বাংলার মানুষের প্রিয় এই পর্যটন কেন্দ্র নিজস্ব পুরোনো ছবি আবার ফিরে পায় তাই দেখার বিষয়।
