নিজস্ব সংবাদদাতা: রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছিল বেশ কিছুদিন ধরেই। গরুপাচার, কয়লাপাচারের অভিযোগে মামলাও দায়ের করা হয়েছিল। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্ত শুরু করে সিবিআই। বারদশেক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিস পাঠানো হয়। কিন্তু, বারবার অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে হাজিরা এড়িয়ে যাচ্ছিলেন বীরভূমের তৃণমূল কংগ্রেস জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। তবে শেষরক্ষা হল না। তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগে তাঁকে বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করল সিবিআই।
{link}
শাসক দলের বীরভূম জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে গত এক দশকে বারবার নানা অভিযোগ উঠেছে। পঞ্চায়েত হোক বা লোকসভা, ভোট এলেই বিরোধী দলের প্রার্থী, নেতা-কর্মীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কেষ্টর বিরুদ্ধে। এমনকী, তিনি পুলিশকে বোমা মারার নির্দেশ দেন বলেও অভিযোগ। যদিও সেসব অভিযোগ আদালতে প্রমাণ করা যায়নি। ফলে এতদিন পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরেই ছিলেন লালমাটির জেলায় শাসক দলের এই দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা। কিন্তু, এবার হিসেব বদলে গেল। সম্প্রতি রাজ্যে বিভিন্ন দুর্নীতি মামলায় সিবিআই ও ইডি-র তৎপরতা বেড়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মতো হেভিওয়েট মন্ত্রীকে। পার্থ গ্রেফতার হওয়ার পরেই অনুব্রতর গ্রেফতারি নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। শেষপর্যন্ত সেই জল্পনাই সত্যি হল। শাসক দলের বীরভূম জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে গত এক দশকে বারবার নানা অভিযোগ উঠেছে। পঞ্চায়েত হোক বা লোকসভা, ভোট এলেই বিরোধী দলের প্রার্থী, নেতা-কর্মীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কেষ্টর বিরুদ্ধে। এমনকী, তিনি পুলিশকে বোমা মারার নির্দেশ দেন বলেও অভিযোগ। যদিও সেসব অভিযোগ আদালতে প্রমাণ করা যায়নি। ফলে এতদিন পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরেই ছিলেন লালমাটির জেলায় শাসক দলের এই দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা।
{link}
কিন্তু, এবার হিসেব বদলে গেল। সম্প্রতি রাজ্যে বিভিন্ন দুর্নীতি মামলায় সিবিআই ও ইডি-র তৎপরতা বেড়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মতো হেভিওয়েট মন্ত্রীকে। পার্থ গ্রেফতার হওয়ার পরেই অনুব্রতর গ্রেফতারি নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। শেষপর্যন্ত সেই জল্পনাই সত্যি হল। অনুব্রত গ্রেফতার হতেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। রাজ্যের শাসক দলকে তীব্র আক্রমণ করেছে বিরোধীরা। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও সরকারিভাবে এ প্রসঙ্গে দলীয় অবস্থান স্পষ্ট করা হয়নি। তবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, অর্জুন সিংয়ের মতো তৃণমূল নেতারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, দল সরাসরি অনুব্রতর পাশে না-ও থাকতে পারে। তাঁকেই আদালতে গিয়ে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে হবে।
