নজস্ব সংবাদদাতা, শিলিগুড়িঃ অবশেষে উত্তরবঙ্গ ও বাংলাদেশের নাগরিকদের বহু আকাঙ্খিত মিতালি এক্সপ্রেসের যাত্রা শুরু হল বুধবার থেকে। নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশান থেকে ট্রেনটির প্রথম সূচনা হল। ভারতের রেল মন্ত্রকের সভাকক্ষ থেকে ভারতের রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণ ও বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সবুজ পতাকা উড়িয়ে মিতালি এক্সপ্রেসের উদ্বোধন করলেন।
{link}
অন্যদিকে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশানে সবুজ সঙ্কেত দেন জলপাইগুড়ির সাংসদ জয়ন্ত রায়, শিলিগুড়ির বিধায়ক শংকর ঘোষ সহ রেলের আধিকারিকরা। মৈত্রী এক্সপ্রেস ও বন্ধন এক্সপ্রেসের পর ভারত ও বাংলাদেশের সাথে সরাসরি রেল যোগাযোগের তৃতীয় ট্রেন এই মিতালি এক্সপ্রেস। সপ্তাহে দুদিন এই ট্রেনটি এনজেপি থেকে ঢাকা ও ঢাকা থেকে এনজেপি স্টেশানে যাতায়াত করবে। তবে বাংলাদেশরে রেলমন্ত্রী ভারতের কাছে এই ট্রেনটি সপ্তাহে পাঁচ দিন যাতায়াতের ব্যবস্থা করার আবেদন জানিয়েছন। জলপাইগুড়ির সাংসদ বাংলাদেশের এই আবেদনকে সাধুবাদ জানান। এদিন ১৮ জন যাত্রী এই ট্রেনে করে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন। তাদের মধ্যে কেউ এসেছিলেন বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসার জন্য আবার কেউ বেড়াতে। তবে এই ট্রেনটি চালু হওয়াতে দুই দেশের মৈত্রী সম্পর্ক যেমন আরও দৃঢ় হবে তার পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের পর্যটন ও চিকিৎসা ক্ষেত্রের প্রসার ঘটবে বলে আশাবাদী দুই দেশের নাগরিকরা। সাংসদ জয়ন্ত রায় বলেন, প্রথমদিনই যখন ১৮ জন যাত্রী এই ট্রেনে সফর করছেন তখন আগামীতে আরও বহু যাত্রী এই ট্রেনে সফর করবেন তা বোঝাই যাচ্ছে।
{link}
এদিন নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশান চত্তর নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছিল। যাত্রীদের সমস্ত নথী ও সামগ্রী বিবাচনা করে তবেই তাদের ট্রেনে উঠতে দেওয়া হয়। যাত্রীরা ছাড়া অন্য কারোর প্রবেশ ট্রেনটিতে নিষিদ্ধ ছিল। নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশান থেকে আরপিএফ ও বিএসএফের তরফে নিরাপত্তা দিয়ে নিয়ে গিয়ে সীমান্তে বাংলাদেশের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে রেলের তরফে জানানো হয়েছে।
.jpeg)
