সুদেষ্ণা মন্ডল, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ভোট আসে ভোট যায়। ভোটের সময় এলাকার উন্নয়নের কথা বলে নিজেদের ভোটব্যাঙ্ক বাড়াতে মরিয়া থাকে সকল রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা। প্রত্যেক নির্বাচনের আগেই ঝুড়িঝুড়ি প্রতিশ্রুতি দেয় সকল রাজনৈতিক দলের নেতা নেতৃত্বরা। কিন্তু ভোটে জেতার পর আদৌ কি প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়? প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটে জিতে ছিলেন সিপিআইএমের পঞ্চায়েত সদস্যা। ৫ বছর শেষ হতে চললেও কোনো কাজ হয়নি এলাকায়। তাই জনসমক্ষে পঞ্চায়েত সদস্যা যোগমায়া সান্ধাগী কে টেনে হিজড়ে কৈফিয়ত চাইলেন ক্ষিপ্ত জনতা।
{link}
এমনই এক ঘটনার সাক্ষী থাকলো পাথরপ্রতিমা বিধানসভার মাধবনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৭৯ নং বুথ। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এলাকায় ফলক বসলো অথচ রাস্তায় এক ঝোড়া মাটি ও পড়েনি। এলাকায় একটি স্থানীয় স্কুল রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সেই বিদ্যালয়ের পানীয় জলের কল থেকে পোকা বের হচ্ছে। সেই জলই ছেঁকে খাচ্ছে ছাত্রছাত্রী এবং এলাকার মানুষ। তাঁদের অভিযোগ, পঞ্চায়েত সদস্যাকে জানিয়েও কোন কাজ হয়নি। এমনকি এলাকার রাস্তা তৈরী হয়েছে এমনটা ফলকে বড় বড় করে উল্লেখ করা রয়েছে। কিন্তু এক পশলা বৃষ্টি হলেই ডুবে যায় রাস্তা। নিকাশি ব্যবস্থার কোন উন্নয়ন হয়নি। কংক্রিটের রাস্তা এমন বেহাল দশা যেখানে একটা অ্যাম্বুলেন্স পর্যন্ত ঢোকে না। যার ফলে ভোগান্তি হয় সাধারণ মানুষের। এই সমস্ত একাধিক অনুন্নয়নের কারণ জানতে ওই সিপিআইএম সদস্যা কে বাড়ি থেকে টেনে হিজরে জনসমক্ষে জিজ্ঞাসা করেন গ্রামবাসীরা। তবে এর প্রত্যুত্তরে তিনি জানান,পঞ্চায়েত চালান তৃণমূল কংগ্রেস। তাই সিপিআইএমের সদস্যা হিসেবে তার প্রতি বৈমাতৃ সুলভ আচরণ করা হচ্ছে। যার কারণে কোন উন্নয়ন হয়নি।
{link}
ওই সদস্যার আরও অভিযোগ, ৫ বছর ধরে তাঁকে কোন মিটিংয়ে ডাকা হয় না। এলাকায় কোন কাজ দেওয়া হয় না। রাতের আঁধারে কখন ফলক বসিয়ে দিয়ে গেছে তাও তিনি জানেন না। যদিও এ বিষয়ে পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষর মতামত, ওই সদস্যা পঞ্চায়েতের মিটিংয়ে আসেন না এবং কোন উন্নয়নমূলক এস্টিমেট জমা দেন না। বক্তব্য লিখিতভাবে উনি পঞ্চায়েত প্রধানকে দিক, না হলে তাঁদের পঞ্চায়েত সমিতি বিডিও কে দিক। তবে তিনি গ্রামবাসীদের আশ্বাস দিয়েছেন এই বিষয়গুলি অবশ্যই তাঁরা দেখবেন।

