নিজস্ব সংবাদদাতা, বাঁকুড়া: 'সর্ষে পায়ে বাঙ্গালী'র কাছে 'পূজোর লম্বা ছুটি’ মানেই কাছে-পিঠে কোথাও বেড়াতে বেরিয়ে যাওয়া। প্রাত্যহিক কর্মব্যস্ততা আর ইঁট কাঠ পাথরের জঙ্গলের মধ্যে থেকে একটু আনন্দ উপভোগের জন্যই বছরের এই সময়টাকে বেছে নেন অনেকেই। আর তাই একটা বড় অংশের 'পরিযায়ী' পর্যটকের অন্যতম পছন্দের 'ডেস্টিনেশান' হয়ে ওঠে জঙ্গল আর পাহাড়ি সৌন্দর্যে ঘেরা 'বাঁকুড়ার রাণী' মুকুটমণিপুর।
{link}
বাঁকুড়া শহর থেকে মাত্র ৫৫ কিলোমিটার দূরে অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত এই জায়গায় সড়ক পথে সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায়। মুকুটমণিপুরের অবস্থানগত সুবিধার জন্য এখান থেকে সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায় মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরের মশক পাহাড়। এছাড়াও মুকুটমণিপুর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সূতান, ৩০ কিলোমিটার দূরের ঝিলিমিলি, তালবেড়িয়া ড্যাম ও ১২ মাইল জঙ্গলের অপরূপ শোভাতো রয়েছেই। আর তাছাড়া মুকুটমনিপুরের নিজস্ব 'সাইট সিন' হিসেবে পরিচিত বেশ কিছু জায়গা যেমন পরেশনাথ মন্দির, ডিয়ার পার্ক, মুশাফিরানা, দেবী অম্বিকার মন্দির, অম্বিকানগর রাজবাড়ি আর বীর বিপ্লবী শহীদ ক্ষুদিরামের স্মৃতি বিজড়িত ছেঁদাপাথরের জঙ্গল আর সেই ঐতিহাসিক গুহাও রয়েছে।
{link}
করোনা আবহে গত দু'বছর পর্যটন ব্যবসা ব্যাপক মার খেয়েছে। কিন্তু এবছরের ছবিটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। পুজোর আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। তার মধ্যেই মুকুমটমণিপুরের হোটেল গুলিতে 'ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই' অবস্থা। বেশীর ভাগ হোটেল মালিকরাই জানিয়েছেন, নতুন করে আর পুজোর মরশুমে 'বুকিং অসম্ভব'। অনেক পর্যটকই আবার আগামী ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত 'ফুল বুকিং' বলে জানিয়েছেন। সবমিলিয়ে আগত পর্যটকদের সাদরে অভ্যর্থনা জানাতে প্রস্তুত 'বাঁকুড়ার রাণী' মুকুটমণিপুর।
