নিজস্ব সংবাদদাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: শনিবার সকাল থেকেই টিপটপ বৃষ্টি পড়তেই লোডশেডিং হয়ে পড়ে হাসপাতাল। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত টানা ১০ ঘন্টা বিদ্যুৎহীন সরকারি হাসপাতাল। এলাকার একমাত্র হাসপাতালে নেই জেনারেটর ব্যবস্থাও। যেটি প্রথমে ছিল সেটিও দীর্ঘদিন ধরে বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে। যার ফলে প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে পুরো বিদ্যুৎহীন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ভাঙড় ২ ব্লকের জিরেনগাছা স্বাস্থ্য কেন্দ্র তথা গ্রামীণ হাসপাতাল চত্বর।
{link}
এদিকে হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকায় নষ্ট হতে বসেছে হাসপাতালে মজুত রাখা করোনা-সহ বিভিন্ন টিকা। তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন রোগীরা। শনিবার সকাল থেকেই বৃষ্টির জেরে লোডশেডিং হয়ে পড়ে হাসপাতাল চত্বর। কার্যত সব ওয়ার্ড বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়ে। কখনও মোমবাতি জ্বেলে, কখনও বা জানালা দিয়ে আসা আলোর উপরে ভরসা করেই চলে চিকিৎসা। জেনারেটরের ব্যবস্থা করার জন্য বারবার বিভিন্ন প্রশাসনিক মহলে আবেদন জানান ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। কিন্তু কোন সুরাহা হয়নি। এমনকী আমফানের সময় বিডিও অফিস থেকে একটি জেনারেটরের ব্যবস্থা করা হলেও তেলের বরাদ্দ না থাকায় জেনারেটর বিকল হয়ে পড়ে থাকে। যার ফলে প্রায় প্রতিদিনই বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ভুগছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ থেকে রোগী ও তাঁদের পরিজনরা। বিদ্যুৎ না থাকায় প্রবল গরমে অতিষ্ঠ হাসপাতলের সকলেই। ওয়ার্ড ছেড়ে বাইরে বসে রয়েছেন অনেকেই। পাশাপাশি চিকিৎসা পরিষেবা দিতে বেগ পেতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ।
{link}
বিদ্যুৎ না থাকায় জলের অভাব দেখা দিয়েছে হাসপাতালে। দূরের টিউবয়েল থেকে জল এনে কাজ চালাতে হচ্ছে। একাধিকবার বিদ্যুৎ অফিসে জানিয়েও কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। তাই আরও একবার জেনারেটার ব্যবস্থার দাবিতে সরব হয়েছেন সকলেই। এখন কত দ্রুত এই জটিল পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় সেটাই দেখার। এই বিষয় নিয়ে ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক হিরন্ময় বোস বলেন, পুরো বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে এনেছেন। বিদ্যুৎ দপ্তরের আধিকারিকদের জানিয়েছেন তবে কোনও লাভ হয়নি। জেনারেটর না থাকার ফলে ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাদের।
