নিজস্ব সংবাদদাতা, পূর্ব মেদিনীপুরঃ দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে মুখে হাসি ফুটলো মৎস্যজীবীদের। দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানা ও কাকদ্বীপের মতো দীঘাতেও বান ডেকেছে ইলিশের। গত কয়েক দিনে মৎস্যজীবীদের জালে প্রচুর পরিমাণে রূপোলী শস্য ধরা পড়ায় বেজায় খুশী মৎস্যজীবীরা। গত দুবছর ধরে ইলিশের যে ঘাটতি ছিল তা এবছর কিছুটা মিটবে বলে আশা করছেন মৎস্যজীবী থেকে আড়ত ব্যাবসায়ীরা।
{link}
মেঘলা আবহাওয়া, বৃষ্টি এবং পুবালি বাতাসের দাপট থাকায় প্রতিদিন গড়ে ১০-১২ টন ইলিশ জালে ধরা পড়ছে বলে জানা যায়। দিঘা মোহনায় মঙ্গলবার ১২ টন ইলিশ ওঠে বলে জানিয়েছেন দীঘা ফিশারমেন অ্যান্ড ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস চেয়ারম্যান নবকুমার বাবু। তিনি বলেন, ইলিশ উপযোগী আবহাওয়া থাকায় গত এক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন গড়ে ১০-১২ টন ইলিশ উঠছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রায় ৮০ টন ইলিশ দিঘা মোহনায় উঠেছে। আবহাওয়া প্রতিকুল থাকায় আরও ইলিশ ধরা পড়বে বলেই আশা করা যাচ্ছে। প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ায় এদিন ইলিশের দাম কিছুটা কমও ছিল। মঙ্গলবার দিঘা মোহনায় পাঁচশ গ্রামের বেশি সাইজের ইলিশ পাইকারি বাজারে সাড়ে সাতশো টাকা থেকে আটশো টাকা কিলো হিসেবে বিক্রি হয়েছে।
{link}
এছাড়াও এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশ বিক্রি হয়েছে ১২০০-১৩০০ টাকা মূল্যে। গত ২ বছর ধরে ইলিশের খরা গেছে দিঘায়। ফলে এবার ভাল ইলিশের আশায় ছিলেন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু ইলিশ উপযোগী আবহাওয়া না থাকায় এবারও মরসুমের শুরুতে সেভাবে ধরা পড়েছিল না ইলিশ। তবে এ মাসে বর্ষার মরসুম শুরু হওয়ার কিছুদিন পর থেকেই জালে উঠতে শুরু করেছে ইলিশের ঝাঁক। প্রচুর ইলিশ পেয়ে খুশি মৎস্যজীবীরা। সাধ্যের মধ্যে ইলিশ পাওয়ায় খুশি ভোজনরসিক বাঙালিও।
