নিজস্ব সংবাদদাতাঃ জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে ,বাড়ছে তাপমাত্রা। বৈজ্ঞানিক মহল জানাচ্ছে বিশ্বের অন্য অঞ্চলগুলোর চেয়ে দ্বিগুণ গতিতে হিমালয় উত্তপ্ত হচ্ছে, গলতে শুরু করেছে হিমালয়ের বরফ।আর এই হিমালয়ের ওপর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষাভাবে নির্ভরশীল হয়ে রয়েছে কোটি কোটি মানুষ। বৈজ্ঞানিক মহলের আশঙ্কা বিপন্ন হতে পারে প্রচুর প্রাণ।
{link}
হিমালয়, কারাকোরাম, হিন্দুকুশ পর্বতমালা নিয়ে গঠিত এশিয়ার পার্বত্য অঞ্চল। চীন থেকে আফগানিস্তান পর্যন্ত বিস্তৃত এই এলাকায় প্রায় ৫৫ হাজার হিমবাহ রয়েছে। পৃথিবীতে পানীয় জলের সবচেয়ে বড় উৎস এটিই। এই জল এশিয়ার ১০টি নদ-নদী দিয়ে প্রবাহিত হয়, যার ওপর নির্ভরশীল প্রায় ২০০ কোটি মানুষ। এর মধ্যে গঙ্গা, সিন্ধু ও ব্রহ্মপুত্রের জলের ওপর নির্ভরশীল ৭৫ কোটি মানুষের জীবন। হিমালয়ের বরফ গলার কারণে শুধু যে পানীয় জলের যোগানে ঘাটতি পড়বে তা কিন্তু নয়। সমস্যায় পড়বে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র গুলিও। কারন জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র গুলি জল না পাওয়ার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারবে না। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, হিমালয় অঞ্চলে মোট ২৫৫ টি জল বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে, যে গুলি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। চারটি দেশের উপর এর প্রভাব সব থেকে বেশি পড়তে পারে। সেই দেশগুলি হল ভারত,পাকিস্থান,নেপাল আফগানিস্তান।
{link}
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধ্বংসের থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় বায়ু দূষণ রোধ।গবেষণা করে দেখা গেছে, প্রায় দু’হাজার বছর পুরনো হিমবাহের বরফ জমতে যে সময় লেগেছে, তার ৮০ গুণ বেগে তা গলে পাতলা হচ্ছে।ফলে পরিস্থিতি খুবই সঙ্কটজনক।যা চিন্তায় ফেলে দিয়েছে বিশ্বের পরিবেশবিদ ও বিশেষজ্ঞদের।

