নিজস্ব সংবাদদাতা, হাওড়া: ডেঙ্গুর প্রকোপে নাজেহাল হাওড়া পুর এলাকা । ইতিমধ্যেই তিনজনের মৃত্যু ঘটেছে ডেঙ্গুর জ্বরের কারণে। তাই এবার স্বাস্থ্য দপ্তরের গোটা টিম নিয়ে এলাকা পরিদর্শনে বেরিয়ে পড়লেন হাওড়া পুরনিগমের প্রশাসনিক প্রধান ডক্টর সুজয় চক্রবর্তী। সোমবার সকালে গোটা দল নিয়ে তিনি হাজির হন ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পি রোড এলাকায়।
{link}
গত ৩১শে আগস্ট ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় হাওড়ার বাসিন্দা অক্ষয় মজুমদারের। এর দুদিন পরেই ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয় হাওড়ার আরও এক কিশোরের। যার কারণেই পুরনিগম প্রশাসনিক প্রধানের এই উদ্যোগ। সোমবার তিনি এবং তাঁর গোটা দল এলাকার প্রধান রাস্তা ছাড়াও লোকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিদর্শন করে। কথা বলেন স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে। এলাকায় সেভাবে জ্বরের প্রকোপ না থাকলেও এলাকা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার রাখার জন্য তাদের আহ্বান জানান তিনি। একইসঙ্গে কথা বলেন ওই এলাকায় কর্মরত পুরসভার সাফাই কর্মী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে। সুজয় চক্রবর্তী জানান, এটি তাদের সারপ্রাইজ ভিজিট নয়, রুটিন ভিজিট । এর আগে তারা উত্তর হাওড়ার বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেছিলেন। আজ তারা শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ৮,৯ ও ৫০ নম্বর ওয়ার্ড পরিদর্শনে বেরিয়েছেন। এ রকম পরিদর্শনে আসলে স্থানীয় সাফাই কর্মী অথবা স্বাস্থ্যকর্মীদের মনোবল বারে। এটা একটা টিম ওয়ার্ক, যেখানে পুরো কর্মীদের সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ মানুষকেও সচেতন হতে হবে। তবেই হাওড়া শহরকে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া প্রকোপ থেকে মুক্ত রাখা সম্ভব।
{link}
তবে একটা বিষয় ইতিমধ্যেই তারা পর্যালোচনা করছেন, যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি সেখানে মৃত্যু হয়নি, বরং যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা নেই বললেই চলে সেখানেই মৃত্যু ঘটছে। অন্যদিকে তাদের এই পরিদর্শনকে ভালো চোখেই দেখছেন এলাকার বাসিন্দারা। তবে একইসঙ্গে তারা জানাচ্ছেন এই পরিদর্শন বা তৎপরতা যদি আগে থেকে থাকতো তাহলে হয়তো এলাকায় মৃত্যুর ঘটনা ঘটত না। সাধারণ এলাকাবাসি হিসেবে তারা চাইছেন সারা বছরই যেন এলাকা এইভাবেই পরিষ্কারে উদ্যোগী হয় পুরনিগম এবং একইসঙ্গে তারাও এই কাজে এগিয়ে আসবেন বলে জানিয়েছেন।
