নিজস্ব সংবাদদাতা, নদীয়াঃ স্ত্রীকে খুন করে মেঝেতে পুঁতে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার স্বামী। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে নদীয়ার ধানতলায়। মৃতার নাম শিবানি লাহা। অভিযুক্তের নাম রবীন্দ্রানাথ রায়। স্থানীয় এক বাসিন্দা খবর দেন পুলিশে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় ধানতলা থানার পুলিশ। তারা এসে মাটি খুঁড়ে পঁচা গলা দেহটি উদ্ধার করেন। এরপর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তিকে শনিবার গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
{link}
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই মহিলা বিবাহিত হলেও স্বামীর কাছ থেকে চলে এসে অভিযুক্ত যুবক রবীন্দ্রনাথ রায়ের সঙ্গে সহবাস করতেন। অভিযোগ, রবীন্দ্রনাথ রায়ই তাকে খুন করে মেঝেতে পুঁতে ঢালাই দিয়ে পালিয়ে যান। পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে নদীয়ার গাংনাপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে তাকে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর খুনের আসল কারণ জানতে পারে পুলিশ। অভিযুক্ত যুবক জানান, প্রতিবেশী এক যুবকের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত থাকা অবস্থায় তার স্ত্রীকে দেখে ফেলেন তিনি। তা দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি ওই মুহুর্তেই সামনে পড়ে থাকা একটি মোটা ভারী কাঠের বস্তু দিয়ে শিবানীর মাথায় সজোরে আঘাত করেন। ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন শিবানী। এরপর মৃত্যু নিশ্চিত করতে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে খুন করে রাজা মন্ডল নামে ওই প্রতিবেশী যুবককে সাথে নিয়েই নিজের ঘরের মেঝের তলায় শিবানীর দেহ পুঁতে সিমেন্টের ঢালাই দিয়ে দেন।
{link}
ঘটনাটির কথা জানিয়ে কামালপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান বিথীকা বিশ্বাস ধানতলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।এরপর শনিবার তারা অভিযুক্ত ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। রবিবার অভিযুক্ত ওই দুই যুবককে আদালতে তোলা হয়েছে। ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে রাখতে চেয়ে আদালতে আবেদন করে পুলিশ। আবেদনের ভিত্তিতে আদালত দুইদিন অভিযুক্তদের পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে, এমনটাই জানিয়েছে ধানতলা থানার পুলিশ।
