লকডাউনের যে নতুন নিয়মাবলি ঘোষনা করা হয়েছে তাতে মিষ্টির দোকান খোলা রাখার ক্ষেত্রে বেশ অনেকটা সময় দেওয়া হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে একেবারে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। সময়টা অনেকটাই। কিন্তু তারপরেও লাভের বদলের ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন বলেই মতামত বেশ কিছু মিষ্টির দোকানের মালিকদের। এহেন এক চিত্রই ধরা পড়ল বহরমপুরে।
{link}
লকডাউনের বাজারে বহরমপুরে মিষ্টির বিক্রি একেবারে কমে গিয়েছে। ক্ষতির সম্মুখীন মিষ্টি বিক্রেতারা। আজ বহরমপুরের টেক্সটাইল মোড় সংলগ্ন একটি মিষ্টির দোকানের মালিককে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন সব্জীর বাজার থেকে মুদির দোকান নিত্য প্রয়োজনীয় এই সামগ্রীর বাজার সময় নির্ধারিত হয়েছে সকাল ৭ টা থেকে ১০ টা ।ফলে সাধারণ মানুষ ১০ টা পর্যন্ত দোকান বাজার করার পর খুব প্রয়োজন না হলে বাড়ি থেকে বেরোচ্ছে না। সেখানে বেলা ২টো থেকে ৫টা খোলা মিষ্টির দোকান। একেই কাঠ ফাটা গরম। তার উপর ভরদুপুরে মিষ্টি কিনতে বের হচ্ছেন না কেউই।ফলে ক্ষতির সম্মুখীন মিষ্টি বিক্রেতারা। এমত চলতে থাকলে আগামীতে দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেবেন মিষ্টি বিক্রেতারা বলেও তারা জানিয়েছেন।
{link}
যার ফলে একথা স্পষ্ট যে বর্তমান সময়ে অনেকটা সময় দোকান খোলা রাখার জন্যে ছাড় দেওয়া হলেও কার্যত চলতে থাকা লকডাউনে লোকসানের মার্কেট যাচ্ছে মিষ্টি বিক্রেতাদের। যে সময় মানুষ বাজার দোকান করতে বাইরে যাচ্ছেন সেই সময়ে বন্ধ থাকছে মিস্টির দোকান। আবার যখন মিস্টির দোকান খোলা থাকছে তখনও করোনার ভয়ে এবং দুপুরের তীব্র গরমের কারনে বাইরে বের হচ্ছেনা ক্রেতারা। যার ফলে একটা সামঞ্জস্যতার অভাব রয়েই যাচ্ছে।
