নিজস্ব সংবাদদাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনাঃ একের পর এক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের হাত থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার উপকূল তীরবর্তী এলাকার মানুষদের বুকে আগলে রাখে সুন্দরবনের বন জঙ্গল। বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় আমফান থেকে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস সহ একাধিক ঘূর্ণিঝড়ের হাত থেকে সুন্দরবনবাসীদের রক্ষা করে গিয়েছে এই ম্যানগ্রোভ অরণ্য। তাই এবার গঙ্গাসাগর কে ও সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ অরণ্যকে বাঁচাতে এগিয়ে এলো বনদপ্তর ও জেলাপ্রশাসন।
{link}
সাধারণত বর্ষার মরশুমে সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের বনদপ্তরের পক্ষ থেকে ম্যানগ্রোভ লাগানোর কর্মসূচি পালন করা হয়। সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে তছনছ হয়ে গিয়েছিল গঙ্গাসাগর এর একাধিক এলাকা। বারেবারে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে ভেঙেছে গঙ্গাসাগর এর একাধিক নদী বাঁধ। তাসত্ত্বেও সুন্দরবনের মানুষরা যেটুকু নিরাপদে আছে তা এই শ্বাসমূল উদ্ভিদদের জন্য। মঙ্গলবার এই ম্যানগ্রোভ বাঁচাতে বনদপ্তর এবং জেলা প্রশাসনের এর পক্ষ থেকে গঙ্গাসাগরের বেগুয়াখালি সহ একাধিক এলাকায় নিজের হাতে গাছ লাগালেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক সুমিত গুপ্তা, সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিম চন্দ্র হাজরা, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বন বিভাগের আধিকারিক মিলন কান্তি মন্ডল সহ অন্যান্যরা।
{link}
পাশাপাশি এবারে ম্যানগ্রোভ কে রক্ষা করতে জোর দেওয়া হচ্ছে এলাকার মানুষ ও স্কুলের বচ্ছাদের উপর। কারণ শুধু ম্যানগ্রোভ লাগালেই হবে না তাকে রক্ষাও করতে হবে। ইতিমধ্যেই গোটা সুন্দরবন জুড়ে প্রায় ১৭ কোটি ম্যানগ্রোভ চারা লাগানো হয়েছে। আরো ২ কোটি লাগানো হবে আগামী দিনে। ম্যানগ্রোভ গাছের অন্য গাছের তুলনায় অনেক বেশি কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ ক্ষমতা রয়েছে। তাই গঙ্গাসাগর তথা সুন্দরবন কে রক্ষা করতে বন দপ্তর ও জেলা প্রশাসনের এখন অন্যতম হাতিয়ার ম্যানগ্রোভ।
