সুদেষ্ণা মন্ডল, দক্ষিণ ২৪ পরগনাঃ ভোজন রসিক বাঙালির রসনা তৃপ্তিতে বাজারে এলো বর্ষার প্রথম ইলিশ। আষাঢ় এর প্রথমেই শুরু রূপোলি শস্যের মরশুম। শুক্রবার মরশুমের প্রথম ইলিশ ঢুকলো ডায়মন্ড হারবার আরতে। এদিন ডায়মন্ড হারবার মৎস্য আরতে প্রায় ৩ থেকে ৪ টন ইলিশ মাছ ঢুকেছে,যার সাইজ ৫০০ গ্রাম থেকে ৬০০ গ্রাম।
{link}
আরতে ইলিশ মাছের পাইকারি দাম প্রতি কেজি ৬০০-৬৫০ টাকা করে। অবশ্য গত ৩ বছর জালে সেভাবে ইলিশ না পড়ায় মরসুমের প্রথম ইলিশ ঢোকাতে আশার আলো দেখছেন মৎস্যজীবী থেকে আরতদারেরা। মঙ্গলবার ১৪ জুন শেষ হয়েছে সামুদ্রিক মাছ ধরার ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা। ১৫ জুন থেকে শুরু হয়েছে ইলিশ ধরার মরশুম। সামুদ্রিক মাছ ও ইলিশের প্রজনন বৃদ্ধির জন্য গত ১৪ এপ্রিল থেকে এই নিষেধাজ্ঞা ছিল। ইতিমধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ, ফ্রেজারগঞ্জ, রায়দিঘি, সাগর, ডায়মন্ড হারবার, পাথরপ্রতিমার প্রায় তিন হাজার মৎস্যজীবীরা সমুদ্রে মাছ ধরা শুরু করেছেন। খুশির মেজাজ মৎস্যজীবী মহলে। তারা আরও খুশি, কারণ মরশুমের শুরুতেই কাতারে কাতারে ইলিশ ঢুকেছে আরতে। এই খবরে মৎস্যজীবীদের পাশাপাশি খুশি ইলিশ প্রেমী ভোজন রসিক বাঙালিরাও। কারণ এবার ইলিশের দাম মধ্যবিত্তের নাগালের মধ্যে।
{link}
ডায়মন্ড হারবার নগেন্দ্র বাজার আড়তদার সমিতির সম্পাদক জগন্নাথ সরকার জানান, এবছর মা গঙ্গা মুখ তুলে চেয়েছে। গত ৩ বছর মাছ না থাকায় চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে মৎস্যজীবী ও আরত মালিক দের। এবার আর নিরাশ করছে না মা গঙ্গা। মরশুমের শুরুতে ইতিমধ্যে মৎস্যজীবীদের জালে রুপোলী শস্য ধরা দিয়েছে। আশা করা যাচ্ছে আগামী দিনে আরও মাছ হবে।

