নিজস্ব সংবাদদাতা, উত্তর ২৪ পরগনা: শনিবার ছিল শিল্পের দেবতা বিশ্বকর্মার পুজো। সেই পুজোর দিনই উত্তর ২৪ পরগনার টিটাগড়ের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্লাস চলাকালীন বোম পড়ল ছাদে। তবে সৌভাগ্যবশত স্কুল চলাকালীন বোম পড়াতেও বড় কোন দুর্ঘটনা ঘটেনি। ছাত্র-ছাত্রী বা শিক্ষক শিক্ষিকারাও আহত হয়নি বলে জানা যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার সন্ধ্যায় সিপিআইএম টিটাগর ব্যারাকপুর এরিয়া কমিটির পক্ষ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল করেন ব্যারাকপুরের সিপিআইএম কর্মীরা।
{link}
এদিন সিপিআইএম এর কর্মীদের প্রতিবাদ এবং ধিক্কার মিছিল শুরু হয় টিটাগর স্টেশন চত্বর থেকে। এরপর টিটাগর স্টেশন রোড থেকে উরান পাড়া হয়ে বিটিরোড দিয়ে থানার সামনে এসে সেই বিক্ষোভ এবং প্রতিবাদ মিছিল শেষ হয় টিটাগর থানার সামনে। থানার সামনেই চলতে থাকে তাঁদের বিক্ষোভ কর্মসূচি। সেই বিক্ষোভ কর্মসূচি চলাকালীন সংক্ষিপ্ত সভা হয়। সেই সভায় সিপিআইএমের নেতৃত্বরা বক্তব্য রাখেন। বিক্ষোভ সভা চলাকালীন পাঁচজনের একটি প্রতিনিধিদল টিটাগর থানার আধিকারিকদের সাথে কথা বলেন এবং ডেপুটেশন জমা দেন। এই ডেপুটেশন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সিপিআইএম পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির অন্যতম সদস্য এবং সি আই টি ইউ উত্তর ২৪ পরগনা জেলা কমিটির সম্পাদিকা গার্গী চ্যাটার্জী এবং উত্তর ২৪ পরগনা জেলা কমিটির সদস্য অভয় দে ও পীর মোহাম্মদ।
{link}
এই বিষয়ে শাসক দলকে আক্রমণ করে সিপিআইএম পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির অন্যতম সদস্যা গার্গী চ্যাটার্জি জানান, শাসক দলের নেতাদের নাকের ডগায় ঘটছে বিভিন্ন দুষ্কৃতীমূলক কাজ। ব্যারাকপুরের বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে তিনি বলেন, “বিধায়ক হওয়ার পর থেকে তিনি ব্যারাকপুর টিটাগড়ে একটিও কারখানা খুলতে পারেননি,অথচ তাঁর লোকজন এলাকায় বোমাবাজি করছে”। তবে বোমাবাজির ঘটনায় ইতিমধ্যেই চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনার নেপথ্যে কার হাত রয়েছে সেই ঘটনাও তদন্ত করছে পুলিশ।
{ads}