Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 13/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

পুলিশের তোলাবাজির কারনে দুর্ঘটনায় মৃত ২, জনতার ক্ষোভের শিকার পুলিশকর্মী

Loading... রাজ্য
পুলিশের তোলাবাজির কারনে দুর্ঘটনায় মৃত ২, জনতার ক্ষোভের শিকার পুলিশকর্মী
#News #Police were severely beaten #116B #National Highway #Kontai #East Medinipur #West Bengal #India #কন্টাই #পূর্ব মেদিনীপুর #সংবাদ

নিজস্ব সংবাদদাতা,পূর্ব মেদিনীপুরঃ সাতসকালে পুলিশকে বেধড়ক মারধর। রাস্তাতেই পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তপ্ত জনতা। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে পুলিশের গাড়ি। প্রাণে বাঁচতে পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে দেন পুলিশ আধিকারিক। ঘটনাটি ঘটে ১১৬ বি জাতীয় সড়কে মারিশদা দয়সাই স্ট্যান্ডের কাছে। 

{link}

স্থানীয় সূত্রের খবর,গতকাল দয়সাই স্ট্যান্ডের কাছে পুলিশ চেকিং এর সময় একটি দিঘামুখী বেসরকারি বাস ও একটি ডাম্পারের রেষারেষির মাঝে পড়ে দুমড়ে মুছড়ে পিষ্ট হয়ে যায় একটি যাত্রী বোঝাই অটো। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় ২ জনের। ঘটনাটির পরেই জনরোষ আছড়ে পড়ে পুলিশের গাড়িতে। রাস্তাতেই পুলিশের গাড়ি উলটে ফেলে দেন ক্ষিপ্ত জনগণ এবং আগুন ধরিয়ে দেয় গাড়িতে। এরপরেই মারিশদা থানার সেকেন্ড অফিসার শিবচরণ সিং কে বেধড়ক মারধর করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রাণে বাঁচতে শিবচরণ বাবু পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে দেন কিন্তু তারপরেও ক্ষান্ত হয়নি এলাকার বাসিন্দারা,পিছনে গিয়ে তাড়া করেন ওই অফিসারকে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি,দয়সাই স্ট্যান্ডের কাছে একটি পুলিশ গাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল এবং বড় বড় গাড়ি ও ডাম্পার দাঁড় করিয়ে তোলা তুলছিল।  ঠিক সেইসময় একটি ডাম্পার পুলিশ গাড়ি দেখে না থেমে গতি বাড়িয়ে পালানোর চেষ্টা করে ও উল্টোদিক থেকে আসা একটি বেসরকারি বাসের সঙ্গে রেষারেষি হয়। এই দুই গাড়ির মাঝখানে অটোটি পড়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ,প্রায় প্রতিদিনই গাড়ি দাঁড় করিয়ে তোলাবাজি করে পুলিশ যে কারনে নিত্যদিন যানজট লেগে থাকে। যানজটের কারণেই ঘটেছে এমন দুর্ঘটনা।

{link}

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে পুলিশের বিরুদ্ধে বারংবার এমন অভিযোগ ওঠে কেন ? কারণ,রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় গাড়ি দাঁড় করিয়ে পুলিশের তোলাবাজির ছবি মানুষের নজরে আছে। অনেক চেষ্টা করেও পুলিশের এই রোগের চিকিৎসা করা যাচ্ছে না। বলা ভাল কার্যত তা অসম্ভব। পুলিশের উচ্চমহলের কর্তারা যে বিষয় টি জানেন না তাও কিন্তু নয়। তাহলে সেই ধারা অব্যাহত আছে কি ভাবে ? কবে বন্ধ হবে এই তোলাবাজি ?ঘটনা যাই ঘটে থাকুক না কেন, মানুষ কখনও নিজেদের হাতে আইন তুলে নিতে পারেননা। অনেকেই বলছেন পুলিশের অনৈতিক কাজের বিরুদ্ধে এটাই স্থানীয় মানুষের ঐক্যবদ্ধ বিক্ষোভ। বিক্ষোভ দেখানো যেতেই পারে কিন্তু তাই বলে উর্দি ধারী কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীকে ঘিরে ধরে শারীরিক নির্যাতন এটা ঠিক নয়। তাহলে কি ধরে নিতে হবে এটাই স্থানীয় মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।         
 

সর্বশেষ আপডেট: