নিজস্ব সংবাদদাতা, হাওড়াঃ তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ। আর সেই অভিযোগের প্রতিবাদে খোদ তৃণমূল সদস্যরাই পঞ্চায়েত অফিসে তারা ঝুলিয়ে দিলেন। রবিবার সকালে ঘটনাটি ঘটে ডোমজুড়ের কোলড়া এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে। জানা যায় পঞ্চায়েত প্রধান অফিসে ঢুকতে গেলে অন্যান্য পঞ্চায়েত সদস্যরা তাকে বাঁধা দেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। শাসক দলের সদস্যরা পঞ্চায়েত প্রধানকে গ্রেফতারের দাবি করেন।
{link}
ডোমজুড়ের কলোড়া এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট ১২ জন সদস্য। এই ১২ জনের মধ্যে ৯ জন তৃণমূল কংগ্রেস সদস্য, ২ জন বিজেপি এবং ১ জন নির্দল। বিক্ষুব্ধ পঞ্চায়েত সদস্যদের অভিযোগ, পঞ্চায়েত প্রধান নিলুফা মল্লিক পঞ্চায়েত চালানো নিয়ে তৃণমূল সদস্যদের সঙ্গে কোন আলোচনা করেন না। তিনি বিজেপির দুজন এবং নির্দলের একজনকে নিয়ে পঞ্চায়েত চালান। আমপানের পরবর্তীকালে লক্ষ লক্ষ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ। এছাড়াও কবরস্থানের মাটি ফেলা, রাস্তা তৈরি এবং ১০০ দিনের কাজ থেকেও লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি করেছেন তিনি। এরই প্রতিবাদে রবিবার সকালে তৃণমূলের পাঁচ সদস্য এবং তাদের অনুগামীরা পঞ্চায়েত অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেন। তাদের অভিযোগ পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী প্রতিদিন পঞ্চায়েত অফিসে এসে বসে থাকেন। তিনি প্রতিটি পঞ্চায়েতের কাজে হস্তক্ষেপ করেন। সম্প্রতি পঞ্চায়েত অফিস থেকে ল্যাপটপ চুরি যায়। তাদের অভিযোগ এই ল্যাপটপ চুরির পেছনেও পঞ্চায়েত প্রধানের হাত থাকতে পারে।
{link}
রবিবার পঞ্চায়েত প্রধান যখন পঞ্চায়েত অফিসে ঢুকতে যান ঠিক সেই সময় শাসক দলের সদস্যরাই তাকে বাঁধা দেন। তাকে ঘিরে স্লোগান দিতে থাকেন। পঞ্চায়েত অফিস বন্ধ থাকায় প্রধানকে বাইরে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। এরপর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। পঞ্চায়েত প্রধান নিলুফা মল্লিক তার বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন সব মিথ্যে অভিযোগ করছেন ওই পঞ্চায়েত সদস্যরা। তাদের দাবি মত কাজ না করায় তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলছেন তারা। তিনি কোন দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নন।
