নিজস্ব সংবাদদাতা,নদীয়াঃ চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণার অভিযোগ তৃণমূলের বিধায়কের আপ্তসহায়ক এর বিরুদ্ধে। অভিযোগের ভিত্তিতে উত্তর ২৪ পরগনা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত প্রবীর কুমার কয়াল সহ আরও দুইজন কে। যদিও প্রবীর কুমার কয়াল আপ্ত সহায়ক নয় বলে অস্বীকার করেছেন তৃণমূল বিধায়ক।
{link}
পুলিশ সূত্রের খবর, নদীয়ার তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার আপ্ত সহায়ক ছিলেন প্রবীর কুমার কয়াল। জানা যায়, সরকারি চাকরি দেওয়ার নাম করে পঁচিশ লক্ষ টাকার প্রতারণার অভিযোগ ওঠে বিধায়কের আপ্ত সহায়কের বিরুদ্ধে। এ বিষয় নিয়ে এক ব্যাক্তি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এর পরেই তদন্তে নেমে পুলিশ উত্তর ২৪ পরগনা থেকে প্রবীর এবং তার দুই সঙ্গী শ্যামল কয়াল এবং সুনীল মণ্ডল কে গ্রেফতার করে। এ বিষয়ে বিধায়ক তাপস সাহা কে প্রশ্ন করলে তিনি পুরো ঘটনাটি অস্বীকার করেন। তিনি জানিয়েছেন, তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক হলেও তার কোন আপ্ত সহায়ক ছিল না। তবে প্রবীর কুমার কয়াল তেহট্ট বিধানসভার বাসিন্দা বলে তিনি স্বীকার করেছেন।
{link}
পাশাপাশি বাকি যে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদেরকে তিনি চেনেন না বলে জানিয়েছেন। ইতিমধ্যেই শাসকদলের বিধায়কের আপ্ত সহায়ক গ্রেফতার হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে গুঞ্জন। বালি-পাথর চুরি, গরু পাচার, এসএসসি তে ভুয়ো নিয়োগ এবং ধর্ষণকান্ডে জড়িয়ে শাসকদলের একাধিক নেতা মন্ত্রীর নাম। সবমিলিয়ে শাসকদলের শিরায় শিরায় ছড়িয়ে পড়েছে দুর্নীতির অভিযোগ। কয়েকদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন যে দলের যত বড় নেতাই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ এলে পুলিশ ব্যাবস্থা নেবে। বিরোধীরা বলছেন, ঠগ বাছতে তৃণমূল কংগ্রেসেই উজাড় হয়ে যাবে।
{ads}