নিজস্ব সংবাদদাতা,বীরভূমঃ বীরভূমের রামপুরহাটের বগটুই গ্রামের গণহত্যার পরে মহামান্য আদালতের নির্দেশে তদন্ত ভার গিয়েছে সিবিআই এর হাতে। তদন্তভার হাতে আসতেই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সিবিআই এর টিম। তদন্তের স্বার্থে পুড়ে যাওয়া বাড়ি গুলো থেকে গোয়েন্দারা নমুনা সংগ্রহ করেন। মূলত প্রাথমিক ভাবে গোয়েন্দারা জানার চেষ্টা করছেন এই হত্যালীলা চালাবার আগে দুষ্কৃতীরা কিধরনের দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করেছিলেন।
{link}
সূত্রের খবর, ঘটনাস্থল থেকে অগ্নিদগ্ধ দেহের কাপড়ের টুকরো, ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ধংসস্তূপের মধ্যে থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে পুড়ে যাওয়া দেহের অংশবিশেষ। বিশেষ কিছু জায়গা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে পায়ের এবং হাতের ছাপ। মহামান্য আদালতের নির্দেশে দ্রুত তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে সিবিআই। যে কারণে শনিবার সাতসকালে গোয়েন্দাদের একটা টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রথমে মিহিলাল সেখের বাড়িতে যান সিবিআই এর কর্তারা। তারপর সেখান থেকে সোনা সেখের বাড়িতে। সোনা সেখের বাড়ির ছাদ থেকে সিবিআই আধিকারিকরা সামগ্রিক ভাবে এলাকার পর্যবেক্ষন করেন। সিবিআই এর জয়েন্ট ডিরেক্টর অখিলেশ সিং এর নেতৃত্বে সিবিআই এর অন্যান্য কর্মীরা শুরু করেছেন জোরদার তদন্ত। যিনি এই ঘটনার প্রতক্ষদর্শী হিসাবে দাবি করেছেন সেই হেন মিহিলাল সেখ রাজ্য পুলিশের গঠন করা সিটের তদন্তে অনেকটাই আশাবাদী ছিলেন। কিন্তু তারপরেও সিবিআই তদন্তের স্বার্থে তাকে কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি পূর্ণ সহযোগিতা করবেন বলে জানান।
{link}
সিবিআই এর টিম বগটুই গ্রামে ঢোকার আগেই সেখানে পৌঁছে যান সিবিআই এর ফরেন্সিক দল। স্বস্তিতে বুক বাঁধছেন এলাকার মানুষ। সিট নয়, সিবিআই এর হাত ধরেই পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে। সাজা পাবে দোষীরা। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে রাঘব বোয়ালরা কবে পড়বেন সিবিআই এর জালে? তার অপেক্ষায় দিন গুনছেন শুধু বীরভূম জেলার মানুষ নয়, সারা রাজ্যের মানুষ নয়, সমগ্র দেশের মানুষ।
