নিজস্ব সংবাদদাতা, পূর্ব মেদিনীপুরঃ একদিকে শুক্রবার মধ্যরাতে এসএসসি দুর্নীতিতে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা বর্তমান শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছে ইডি। অপরদিকে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়েও এবার তৎপর সিবিআই আধিকারিকরা। কয়েকদিন আগেই গত বিধানসভা ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সিবিআইয়ের করা মামলার ভিত্তিতে হলদিয়া মহকুমা আদালত নন্দীগ্রামের তিন দাপুটে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। যাদের মধ্যে অন্যতম আবু তাহের। বৃহস্পতিবার সকালে নন্দীগ্রামের সেই দাপুটে নেতা আবু তাহেরের বাড়িতে হানা দিল সিবিআই।
{link}
সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই তৃণমূল নেতার গোটা বাড়ির চত্বর ঘিরে ফেলেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সম্ভাব্য আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানার মতো এদিন আবু তাহেরকে গ্রেফতার করা হতে পারে এমনটাই সিবিআই সূত্রের খবর। উল্লেখ্য, ভোট পরবর্তী হিংসায় নন্দীগ্রামের চিল্লগ্রামে খুন হয়েছিলেন বিজেপি কর্মী দেবব্রত মাইতি। ওই বিজেপি নেতাকে নৃশংস ভাবে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে এলাকার তৃণমূল নেতৃত্বদের বিরুদ্ধে। এরপর বিজেপি নেতার পরিবারের সদস্যরা সিবিআই তদন্তের দাবি জানান। পাশাপাশি নন্দীগ্রাম কেন্দ্রের বিধায়ক তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন। সেই ঘটনার তদন্তেই সিবিআইয়ের এই তৎপরতা। প্রসঙ্গত, সোমবার হলদিয়া টাউনশিপের অস্থায়ী অফিসে তিন তৃণমূল নেতাকে তলব করেন সিবিআই আধিকারিকরা। সিবিআই এর পক্ষ থেকে নন্দীগ্রামের পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি আবু তাহের,পঞ্চায়েতে কর্মদক্ষ শেখ কুশনবিশ সহ আরও একজনকে সিবিআই নোটিশ দেন।
{link}
জানা যায়, সোমবার সকালে সকলকে দ্রুত হাজিরার নির্দেশ দেন আধিকারিকরা। নতুন করে তৃণমূল নেতাদের সিবিআই তলব নিয়ে রাজনৈতিক মহলে রীতিমত শোরগোল পড়েছে। নন্দীগ্রামে ভোট পরবর্তী হিংসায় এখনও পর্যন্ত বন্দি রয়েছে মোট ১২ জন তৃণমূল কর্মী ও নেতা। যদিও সিবিআই দপ্তরে হাজিরা দেবেন না বলেই জানিয়েছেন নন্দীগ্রামের দাপুটে তৃণমূল নেতা তথা পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি আবু তাহের। যার পরেই কার্যত হলদিয়া আদালত তৃণমূল নেতাদের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।
