Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 13/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

পার্থর নিরাপত্তারক্ষীর পরিবারে ১০ জন স্কুল শিক্ষক, শোরগোল পূর্ব মেদিনীপুরে

Loading... রাজ্য
পার্থর নিরাপত্তারক্ষীর পরিবারে ১০ জন স্কুল শিক্ষক, শোরগোল পূর্ব মেদিনীপুরে
#News #Politics #SSS scam #Corruption #Partha Chatterjee #Chandipur #East Medinipur #West Bengal #India #চন্ডীপুর #পূর্ব মেদিনীপুর #সংবাদ


নিজস্ব সংবাদদাতা, পূর্ব মেদিনীপুরঃ একই পরিবারে ১০ জন স্কুল শিক্ষক। কিন্তু কীভাবে? দুর্নীতির নজির এবার পূর্ব মেদিনীপুরে। শিক্ষাক্ষেত্রে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের দুর্নীতির আঁচ পৌঁছাল এবার পূর্ব মেদিনীপুরে চণ্ডীপুরে। পূর্ব মেদিনীপুর চণ্ডীপুরে একই পরিবারের  ১০ জন স্কুল শিক্ষক। এই বিষয়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমন করে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছেন সিপিএম ও বিজেপি দলের নেতারা। পাল্টা কটাক্ষের জবাব দিয়েছে তৃনমূল কংগ্রেসও।

{link}

শাসক দলের মন্তব্য, তারা সবাই রীতিমত যোগ্যতা দেখিয়ে প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক পদে চাকরি পেয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় পূর্ব মেদিনীপুর জেলার চণ্ডীপুর থানা এলাকায় বিশ্বম্ভর মণ্ডলের বাড়ী। শিক্ষামন্ত্রী থাকাকালীন তিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নিরাপত্তারক্ষী পদে ছিলেন। বিশ্বম্ভর মণ্ডলের স্ত্রী রীনা মণ্ডল,  দুই ভাই চণ্ডীপুর পঞ্চায়েত সমিতির বিদ্যুৎ কর্মদক্ষ বংশীলাল মণ্ডল ও দেবগোপাল মণ্ডল, মাসতুতো ভাই পূর্ণ মণ্ডল, মাসতুতো বোন গায়এী মণ্ডল, মেসোমশাই ভীষ্মদেব মণ্ডল, জামাই সোমনাথ পণ্ডিত, শ্যালক অরূপ মল্লিক, শালিকা অঞ্জনা মণ্ডল ও প্রতিবেশী অমলেশ রায় এরা সকলেই প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকের পদে চাকরি পেয়েছেন। যদিও ওই পরিবারের সদস্যদের দাবি তাদের বিরুদ্ধে সব কিছু মিথ্যে অভিযোগ তোলা হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে। তারা নিয়ম মেনে সব করেছেন। তাদের চাকরি পাওয়ার পেছনে বিশ্বম্ভর মণ্ডলের কোন ভূমিকা নেই। জানা যায়, এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এরকমই এক পরিবারের কথা উঠে এসেছে। সেই পরিবারের দশজন সদস্যও প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক।

{link}
 
কলকাতা হাইকোর্টের হলফনামায় এই নামের তালিকা জমা পড়েছে। সূত্রের খবর, পরিবারের এক সদস্য পুলিশের চাকরি করেন। একসময় তিনি নাকি রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের দেহরক্ষী পদে নিযুক্ত ছিলেন। তার নাম বিশ্বম্ভর মণ্ডল। কিভাবে একই পরিবারে এতজন সদস্য একই বছরে প্রাথমিক শিক্ষক পদে চাকরি পেলেন তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন চাকরি প্রার্থীদের আইনজীবী সুদীপ্ত দাসগুপ্ত। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে এই হলফনামা জমা দিয়েছেন তিনি। আগামী সোমবার এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে জানা যায়।  আইনজীবী সুদীপ্ত দাসগুপ্ত ১০  জনের তালিকা জমা দিয়ে অবিলম্বে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।


 
 

সর্বশেষ আপডেট: