এবার দলে থেকা মীরজাফরদের সাফ করতে ময়দানে নামল বিজেপি। একুশের নির্বাচনে কার্যত আশারূপ ফলের যায়গায় ভরাডুবি হয়েছে বিজেপির। সেই কারনেই দলে থেকেও যারা অন্য দলের হয়ে কাজ করছেন, তাঁদের শনাক্তকরণের কাজ শুরু করল বিজেপি। দলের বাড়া ভাতে ছাই দেওয়া এইসব নেতাদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তি দিতে চাইছেন গেরুয়া নেতৃত্ব। যদিও এই একই পথে অনেক আগেই হাঁটতে শুরু করেছিল তৃনমূল।
{link}
সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের আগে আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন বেশ কিছু নেতা। যাদের মধ্যে ছিলেন বিধানসভার প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার সোনালি গুহ, তৃণমূলের উত্তর দিনাজপুর জেলার প্রাক্তন সভাপতি অমল আচার্য, মালদহ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি সরলা মুর্মু সহ আরও কয়েকজন। এঁদের অনেক আগেই গেরুয়া খাতায় নাম লিখিয়েছেন পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, সেচমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় সহ আরও অনেক রথী-মহারথী। সম্প্রতি এঁদের অনেকেই ঘরওয়াপসির আবেদন করেছেন। তৃণমূল নেতৃত্বকে খুশি করতে এঁদের কেউ করেছেন আবেগঘন পোস্ট, কেউবা ফাঁস করেছেন ‘গোপন কম্ম’। যাদের মধ্যে অন্যতম নাম সরলা মুর্মু এবং সোনালি গুহ। রিতীমত খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন তারা।
{link}
তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া নেতাদের অনেকেই জান বাজি রেখে পদ্ম-প্রার্থীকে জেতানোর মরিয়া চেষ্টা করলেও, অনেকেই কার্যত শোপিস হয়েই ছিলেন দলে। এঁদেরই কেউ কেউ দলকে গাড্ডায় ফেলায় বিপর্যয় হয়েছে বলেই মনে করছেন বিজেপি নেতৃত্বের একাংশ। এই ‘মিরজাফর’দের খুঁজে বের করেই শাস্তি দেওয়ার ভাবনা গেরুয়া শিবিরে। এরপর কোন কোন বড় বড় নাম এই তালিকায় উঠে আসে তাই দেখার বিষয়।
