নিজস্ব সংবাদদাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনাঃ পাপের টাকার ভাগীদার তৃণমূল। ডাকাতরানী ফুলনদেবীর মত করে বাংলার সর্বনাশ যিনি করছেম তার নাম মমতা ব্যানার্জি। তৃণমূল কর্মীদের নিয়ে এবার সাংবাদিকদের সামনে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন সিপিআইএম এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী। সোমবার সাংবাদিকদের সামনে শাসক দলের তাবড় তাবড় নেতা থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রী কাউকেই কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি।
{link}
তৃণমুলের সাথে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের দূরত্ব কি বাড়ছে? সাংবাদিকদের এই প্রশ্নে তিনি উত্তর দেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায় মহাসচিব, শিল্প ও পরিষদীয় মন্ত্রী। তাই তিনি দারুন পাওয়ারফুল। মুকুল রায় কুনাল ঘোষের সাথেও দলের দুরত্ব তৈরী হয়েছিল। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী তাদের আবার দলে নিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী কী ব্যবস্থা নিয়েছেন? এখন তিনি ভয় পেয়ে থতমত খেয়ে আছেন। এই ইস্যুতে তৃণমূল রাস্তায় নামলে সাধারণ মানুষ ধরে জমা দিয়ে আসবে। তিনি আরও বলেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সম্পত্তি কত কেউ জানেনা। পার্থ অনুব্রত সহ প্রথমসারির সব নেতারাই লোভ ও লালসার পিছনে দৌড়াচ্ছে। সাধারণ কর্মীরা রক্তজল করে পরিশ্রম করছে। আর নেতারা বাংলার সর্বনাশ করছে। তার অভিযোগ, কালীঘাটের এক্তিয়ারে বাঁকড়াহাট, কুলপি, আমতলা এলাকায় দখলদারি চালানো হচ্ছে। অর্পিতার কোটি কোটি টাকা। তার থেকে কয়েকগুন বেশী টাকা কালীঘাটের। মানুষের রক্তজল করা টাকা। পাপের টাকার ভাগীদার তৃণমুল। ডাকাতরানী ফুলনদেবীর মত করে বাংলার সর্বনাশ যিনি করছেম তার নাম মমতা ব্যানার্জি। বঙ্গভুষণ উপাধি সম্পর্কে তিনি বলেন, বাংলা দূষণের সাথে যুক্ত। তারা এই উপাধি দিয়ে বাঁচতে চাইছেন। তিনি বলেন, যারা পুরষ্কার নিতে যাচ্ছেন তারা পুলিশের চাপে যাচ্ছেন। তাদের বাড়ি পুলিশ দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি। অমর্ত্য সেনের না যাওয়ার সিদ্ধান্ত কে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী তিনদিন ধরে চুপ। রাজ্যকে কলুষিত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সততার প্রতীক লেখা বন্ধ করে বাংলার লজ্জা মমতা ব্যানার্জি এটা লেখা উচিত এবার। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে তার মন্তব্য, বিজেপিতে আসার আগে সমস্ত অপরাধ করে এসেছেন শুভেন্দু। বিজেপি তৃণমূল কে বাঁচাতে চাইছে। নারদ ও চিটফান্ড কান্ডের কেন বিচার হল না? এর দায় বিজেপিরও বলে তার অভিযোগ।
{link}
পার্থ চট্টোপাধ্যায় ভুবনেশ্বর এইমসে ভর্তি। এই বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ভুবনেশ্বরের সাথে তৃণমুলের আত্মিক যোগাযোগ আছে বলে। এর আগে সুদীপ বন্দোপাধ্যায়, তাপস পালও ওখানে গিয়েছিলেন। তখন মমতাও গিয়েছিলেন। এবার মুখ্যমন্ত্রী কখন যাবেন সেটাই দেখার বিষয়। বাংলার মানুষ তৃণমূল চোর, পার্থ চোর বলে চেঁচাচ্ছে। এটা বাংলার লজ্জা। এর দায় মুখ্যমন্ত্রীর বলে অভিযোগ সুজনের। আদালতের এসএসকেএম কে সমালোচনা করার বিষয়ে তিনি বলেন, আদালত যেভাবে হাসপাতালের সমালোচনা করেছে তাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর লজ্জায় মুখ ঢাকা উচিত। এই হাসপাতাল কে মুখ্যমন্ত্রী দাগী হাসপাতালে পরিনত করেছেন। এটা সমগ্র রাজ্যের লজ্জা। মুখ্যমন্ত্রী সব জায়গাকে কলুষিত করছেন।
