সুদেষ্ণা মন্ডল, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বঙ্গোপসাগরের তৈরি হয়েছে গভীর নিম্নচাপ। তার জেরে কয়েকদিন ধরে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। একটানা বৃষ্টির কারণে ইতিমধ্যেই ধুয়ে যেতে শুরু করেছে কাঁচা মাটির নদী বাঁধের মাটি। নিম্নচাপ ও পূর্ণিমার ভরা কোটালের জোড়া ফলায় সাগরের বঙ্কিমনগর ১ নম্বর কলোনির নদী বাঁধ ভেঙে প্লাবিত এলাকা। প্রায় ১৫০ মিটারের মতো মুড়িগঙ্গা নদীর বাঁধ ভেঙে যায় পূর্ণিমার জোয়ারের জলে।
{link}
নোনা জলে প্লাবিত বিঘের পর বিঘের চাষের জমি। দিশাহারা সাগর এলাকার একাধিক পরিবার। ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে বানভাসি মানুষদের জন্য। এছাড়াও বানভাসি এলাকায় চলছে নজরদারি। পূর্ণিমার জোয়ারের জলের তোড়ে ভেঙে গিয়েছে গঙ্গাসাগর কপিলমুনি মন্দিরের সামনের রাস্তা। গঙ্গাসাগর কপিলমুনি মন্দির বাজার জলমগ্ন। স্থানীয় গ্রামবাসীদের দাবি, একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে মাটির নদী বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছিল এলাকা। বেশ কয়েক মাস আগে পূর্ণিমার ভরা কোটালে এই বাঁধ ভেঙে এলাকায় জল ঢোকে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় মেরামতির কাজ করলেও নিম্নচাপের এক টানা বৃষ্টি ও পূর্ণিমার ভরা কোটালে জোয়ারের জলে নতুন করে নদী বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় এলাকা।
{link}
সাগরের বিডিও সুদীপ্ত মণ্ডল বলেন, যে সমস্ত এলাকা নদী বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে সে সমস্ত এলাকায় দ্রুত গতিতে নদী বাঁধ মেরামতির কাজ চলছে। পাশাপাশি এলাকার বানভাসি মানুষদের জন্য ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে খোলা হয়েছে ত্রাণ শিবির। সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা বলেন, পূর্ণিমার কোটালের জোয়ারের তোরে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বিভিন্ন জায়গায় মাটির নদী বাঁধ ভেঙে গিয়েছে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় নদী বাঁধ মেরামতির কাজ চালানো হচ্ছে।
