নিজস্ব সংবাদদাতা,বীরভূমঃ সোমবার রাতে বীরভূমের রামপুরহাট থানার অন্তর্গত বরশাল গ্রামের তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ভাদু সেখ খুন হন। আর এই ঘটনার পরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বগটুই গ্রাম। হঠাৎ ওই দিন রাতে বেশ কয়েকটি বাড়িতে আগুন লাগে এবং সেই আগুনে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় কমপক্ষে ১০ জনের এমনটাই দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। উপপ্রধানের খুনের ঘটনার পরেই এমন ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই পাল্টা অশান্তির গন্ধ মিলতে শুরু করেছে।
{link}
সোমবার রাতে দমকল বাহিনীর কর্মীরা ১০ জনের অগ্নিদগ্ধ মৃতদেহ উদ্ধার করেছেন বলে জানিয়েছেন দমকল কর্মীরা। দমকল বাহিনীর কর্মীদের তরফ থেকে জানানো হয়েছে,সারারাত ধরে এই উদ্ধারকার্য চলেছে। ১০-১২টি বাড়িতে আগুন লাগা অবস্থায় আমরা দেখতে পাই এবং সেগুলি নেভানোর কাজ শুরু করি। কাল রাতে তিনটি এবং আজ সকালে সাতটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে যাদের উদ্ধার করা হয় তাঁরা প্রত্যেকেই মারা গিয়েছেন। ঘটনার পর এলাকায় ছুটে যান বীরভূম জেলা পুলিশ সুপার নগেন্দ্র ত্রিপাঠী। তিনি জানিয়েছেন সম্পূর্ণ ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে এবং ফরেনসিক দলকে ডাকা হয়েছে।
{link}
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। অন্যদিকে খুনের এই ঘটনা এবং উত্তপ্ত এই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এখনো পর্যন্ত বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার হয়েছে বলেও প্রশাসন সূত্রের খবর। পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, রামপুরহাট এস ডি পি ও সায়ন আহমেদ ও রামপুরহাট থানার আই সি ত্রিদীপ প্রামাণিক কে ইতিমধ্যেই ক্লোজ করা হয়েছে। তবে উপপ্রধানের খুনের জেরেই যে ভয়ঙ্কর ঘটনাটি ঘটেছে তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই এমনটাই মনে করছেন এলাকার মানুষ। কারণ এই ঘটনাটি ঘটে ঠিক উপপ্রধান ভাদু সেখ খুন হওয়ার পরেই। যদিও পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে তদন্তের পরেই এই বিষয়ে স্পষ্ট করে জানানো হবে। রামপুরহাটে উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন রাজ্যের মন্ত্রী ববি হাকিম।
{ads}