নিজস্ব সংবাদদাতা: শুধুমাত্র বায়ুদূষণ সেক্টরে পশ্চিমবঙ্গে কুড়ি থেকে চল্লিশ হাজার কর্মসংস্থান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। চতুর্থ ইন্ডিয়া ক্লিন এয়ার সামিট(ICAS) -এর চতুর্থ দিনে এক আলোচনায় আইআইটি(IIT) কানপুরের সিভিল ইঞ্জিনিয়ার বিভাগের সিনিয়র প্রফেসর এস এন ত্রিপাঠি এই কথা জানান। তিনি বলেন, " ভারতজুড়ে বায়ুর মান ডোমেনেই এক মিলিয়ন গ্রীন জব তৈরি হতে চলেছে। এর জন্য আইআইটি(IIT) গুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। আইআইটি(IIT) গুলোই পারে এর প্রশিক্ষণ দিতে। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ২০ থেকে ৪০ হাজার মানুষের জন্য কাজের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তার জন্য আইআইটি(IIT) খড়গপুরকে এগিয়ে এসে প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করতে হবে।"
{link}
ন্যাশনাল ক্লিন এয়ার প্রোগ্রাম(NCAP) এর সময়সীমা শেষ হওয়ার সাথে সাথে NCAP 2.0 শুরু করতে হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন তাহলেই এই গ্রীন জব তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এবছর ইন্ডিয়া ক্লিন এয়ার সামিট 2022 (ICAS) এর থিম ছিল "Looking at air pollution through the climate lens", যার প্রধান আয়োজন ছিল সেন্টার ফর স্টাডি অফ সায়েন্স, টেকনোলজি এন্ড পলিসি(CSTEP)। ন্যাশনাল ক্লিয়ার প্রোগ্রামের প্রথম পর্যায় শেষ হতে চলেছে ২০২৪ সালে।এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গে Non-attainment শহরের সংখ্যা সাত। সেই সাতটি শহর যথাক্রমে কলকাতা, হাওড়া, ব্যারাকপুর, হলদিয়া, দুর্গাপুর, আসানসোল এবং রানিগঞ্জ। ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে কেন্দ্রীয় পরিবেশ, অরণ্য এবং জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্র এই সাতটি শহরকে ন্যাশনাল ক্লিন এয়ার প্রোগ্রাম(NCAP) এর অধীনে নিয়ে আসে। যাতে ওই সব শহরের বাতাসে PM2.5 এর মাত্রা ২০১৭ সালের তুলনায় ২০২৪ সালের মধ্যে 20 থেকে 30 শতাংশ কমানো যায় সেই উদ্দেশ্যে। ইন্ডিয়া ক্লিন এয়ার সামিট ২০২২ (ICAS) এ উপস্থিত বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যকে এই সময়সীমার মধ্যে থেমে না থেকে বায়ু দূষণের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করতে হবে।)। আলোচনা প্রসঙ্গে প্রফেসর ত্রিপাঠী আরও বলেন, "মূলত শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে এই কাজগুলি তৈরি হবে। কিন্তু এটা তখনই সম্ভব যখন ন্যাশনাল ক্লিন এয়ার প্রোগ্রামকে দ্বিতীয় পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।"
