নিজস্ব সংবাদদাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: রোজকারের মতই সকালে স্নান খাওয়া করে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে এক বন্ধুর সাথে স্কুলে গিয়েছিল পড়ুয়া। কিন্তু তারপর আর বাড়ি ফেরেনি সে। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজার পরেও যখন ছেলের কোন খোঁজ পেলেননা ঠিক তখনই থানা থেকে আসে ছেলের মৃত্যু সংবাদ। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুর থানা এলাকায়। মৃত ছাত্রের নাম বিশাল করণ। পরিবারের দাবি তাঁদের ছেলেকে খুন করা হয়েছে।
{link}
স্থানীয় সূত্রের খবর, ওই পড়ুয়া নয়াবাদ হাইস্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্র ছিল। পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন, সোমবার সকালে বিশালের এক বন্ধু তার বাড়িতে আসে। তার সাথেই স্কুলে যায় সে। তারপর ছুটি হলেও বাড়ি না ফেরায় ছেলের খোঁজ শুরু করেন পরিবারের লোকজনরা। বিকাল ৪টা নাগাদ হঠাৎ থানা থেকে ফোন আসে এবং ওই পড়ুয়ার বাবাকে থানায় ডেকেও পাঠানো হয়। থানায় গিয়েই তারা পড়ুয়ার নিথর দেহ দেখতে পান। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নরেন্দ্রপুর থানা এলাকার খেয়াদহ গ্রাম পঞ্চায়েতের সাইবেরাবাদ এলাকার একটি জলাশয় থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শেষ তাকে এক ছাত্রী সহ আরও তিনজন বন্ধুর সাথে ওই এলাকায় দেখা গিয়েছিল।
{link}
এই ঘটনার পর থেকেই নিখোঁজ বিশালের দুই সহপাঠী। পরিবারের দাবি, খুন করা হয়েছে তাঁদের ছেলেকে। পুলিশ ইতিমধ্যেই মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। তবে পড়ুয়ার এই মৃত্যু নিয়ে বাড়ছে রহস্য। কারণ বিশালের দেহ উদ্ধার হয়েছে মাছ চাষের একটি ঝিলের পাড় থেকে। ওই ঝিলের জল কোমর সমান। তাছাড়া তাঁর পরিবারের দাবি, সে সাঁতার জানত। সেক্ষেত্রে কোমর সমান জলে সাঁতার জানা পড়ুয়া কিছুতেই ডুবে মরতে পারে না। আপাতত পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ছাত্রের অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকা জুড়ে।
