নিজস্ব সংবাদদাতা, পূর্ব বর্ধমান: ২০১৯ সালে কলকাতা হেয়ার স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক ‘শিক্ষারত্ন’ সম্মান পেয়েছিলেন। সেই শিক্ষকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল পূর্ব বর্ধমানের মেমারী থানার দেবীপুর এলাকার বাড়ি থেকে। মৃত শিক্ষকের নাম ড.সুনীল কুমার দাস(৬৩)। মানসিক অবসাদ নাকি অন্য কারণ? তবে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান মানসিক অবসাদের কারণেই এই পরিণতি।
{link}
জানা যায়, অবসরের তিন বছর পরেও মেলেনি পেনশনের টাকা। বারবার বিকাশ ভবন সহ উচ্চ কর্তৃপক্ষের কাছে গিয়েও পেনশন চালু করতে পারেননি তিনি। সংসার চালাতে সমস্যা হচ্ছিলো তাঁর। পরিবারের দাবি, তার থেকেই মানসিকভাবে বেশ কিছুটা বিপর্যস্ত হয়ে পডড়েছিলেন তিনি। জানা যায়, ২০১৯ সালে "শিক্ষারত্ন" সম্মান পেয়েছিলেন তিনি। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী সেই সম্মান তুলে দিয়েছিলেন শিক্ষকের হাতে। শিক্ষারত্ন শিক্ষকের এইভাবে মৃত্যুর ঘটনায় কার্যত হতবাক এলাকার বাসিন্দারা । বুধবার রাতে মেমারীর দেবীপুরের বাড়ি থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেহ উদ্ধার করে মেমারী থানার পুলিশ। মৃতদেহ ময়নাতদন্ত হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।
{link}
মৃত শিক্ষকের দাদা শঙ্কর দাস জানিয়েছেন, বেশ কিছুদিন ধরেই মানসিক অবসাদে ছিলেন তার ভাই । বারবার পরিবারের সদস্যরা বুঝিয়েছেন আশ্বস্ত করেছেন। তারপর হঠা্ৎ করেই এই ঘটনা। ঘরের ভিতরে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। পেনশনের জন্য বারবার দপ্তরে ঘুরে হয়রান হয়ে গিয়েছিলেন তিনি এমনটাই দাবি তার পরিবারের। একই দাবি মৃত শিক্ষকের স্ত্রী'র ও। অবসাদ থেকেই মর্মান্তিক পরিণতি। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখছে মেমারী থানার পুলিশ।
