নিজস্ব সংবাদদাতা, উত্তর ২৪ পরগনা: যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম একটি বাঁশের সাঁকো। তাও ভেঙেচুড়ে তার অবস্থা বেহাল। উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার পূর্ব হুদা গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ প্রায় কুঁড়ি বছর ধরে এভাবেই যাতায়াত করছেন। পঞ্চায়েত বা প্রশাসনিক কর্তাদের তা নিয়ে লেশমাত্র ভ্রূক্ষেপ নেই এমনটাই অভিযোগ গ্রামের বাসিন্দাদের। তাই এবার ভাঙা সেতুর সামনে বসেই বিক্ষোভ শুরু করলেন গ্রামবাসীরা।
{link}
স্থানীয় মানুষদের হাসপাতাল ব্লক থেকে স্কুল কলেজে যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম কোদালিয়া নদীর উপর বাঁশের সাঁকো ৷ কয়েক হাজার মানুষ প্রতিদিন এই বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়েই স্কুল কলেজ ও হাটে সবজি নিয়ে যাতায়াত করেন। বেশ কিছু মাস আগে এই সেতুটি ভেঙ্গে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা সমস্যায় পড়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, প্রশাসনকে জানিয়েও কোন ফল হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে সেতুর সামনে বসে বিক্ষোভ শুরু করলো স্থানীয় বাসিন্দা সহ পড়ুয়ারা ৷ এ বিষয়ে এক গ্রামবাসী জানিয়েছেন, দীর্ঘ কুড়ি বছর ধরে গ্রামবাসীরাই পয়সা দিয়ে কোদালিয়া নদীর উপরের বাঁশের সাঁকোটি তৈরি ও মেরামত করে চলেছেন।
{link}
গ্রামবাসীদের আরও অভিযোগ, বাঁশের সাঁকোটি ভেঙেচুরে গেলেও পঞ্চায়েত সহ প্রশাসনিক কর্তাদের সেকথা জানালে তাদের কোন হেলদোল নেই ৷ গ্রামের বাচ্ছাদের স্কুলে যেতে সমস্যা হয়। সবচেয়ে বেশী সমস্যা হয় অসুস্থ ব্যাক্তিদের। দ্রুত চিকিৎসার জন্য তাঁদের নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া যায় না। ফলে দিনের পর দিন তাঁরা অসহায় ভাবে দিন কাটাচ্ছেন। তাদের দাবি, অবিলম্বে পাকা সেতু নির্মাণ ও বাঁশের সাঁকো মেরামতি করতে হবে নাহলে ভবিষ্যতে তাঁরা এর থেকেও বড় আন্দোলনের পথে নামবে।
{ads}