সুদেষ্ণা মন্ডল , দক্ষিন ২৪ পরগনা: রাজ্যে ফের তৃণমূল কর্মী খুন। এবার ঘটনাস্থল দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী। শনিবার বাজার করে ফেরার পথে প্রথমে গুলি এবং পরে কুপিয়ে খুন করা হয় ওই তৃণমূল কর্মীকে। মৃত ওই তৃণমূল কর্মীর নাম জানে আলম গাজি, বয়স ৫০। বিরোধীদের দাবী, গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের বলি ওই তৃণমূল কর্মী। ঘটনাটি ঘিরে ইতিমধ্যেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
{link}
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে বাসন্তী বাজারে গিয়েছিলেন জানে আলম। বাজার সেরে বাড়ি ফেরার সময় ওই তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। মৃত্যু নিশ্চিত করতে কুপিয়ে খুন করা হয় তাঁকে। রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন ওই তৃণমূল কর্মী। সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়। স্থানীয়রা জড়ো হয়ে যান। এলাকাবাসীরাই তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষের দাবি, গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই খুন হয়েছেন ওই তৃণমূল কর্মী। তিনি আরও বলেন, “এই সরকার যতদিন থাকবে, ততদিন রাজ্যে খুনখারাপি লেগেই থাকবে।“ তবে এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই বলেই দাবি তৃণমূল বিধায়কের।
{link}
ইতিমধ্যেই ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কে বা কারা ওই তৃণমূল কর্মীকে খুন করেছে, তা এখনও জানা যায়নি। এর আগেও গত ১৩ আগস্ট উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারের বাসতোপ গ্রামে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে তৃণমূল কর্মীর দেহ উদ্ধার হয়। বারংবার তৃণমূলের সমর্থক, নেতা, কর্মীরা খুন হচ্ছেন, গোষ্ঠিদন্ধের জন্যই এই খুনগুলি হচ্ছে বলে দলের একাংশের মত। একের পর এক তৃণমূল কর্মীর খুনের ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠিদন্ধই প্রকট হচ্ছে, এমনটাই মনে করছে সাধারণ মানুষ।
