Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 13/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জলমগ্ন, এলাকা পরিদর্শন করতে গেলে মন্ত্রীকে ঘিরে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের

Loading... রাজ্য
সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জলমগ্ন, এলাকা পরিদর্শন করতে গেলে  মন্ত্রীকে ঘিরে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের
#News #Sundarban #Kapilmuni asram #South 24 Parganas #Flood situation #West Bengal #India #সংবাদ #সুন্দরবন

সুদেষ্ণা মন্ডল , দক্ষিন ২৪ পরগনাঃ পূর্ণিমার কোটাল এবং বৃষ্টির জেরে প্লাবিত সুন্দরবন এবং উপকূলের বেশ কয়েকটি এলাকা। নদী এবং সমুদ্রের জলস্ফীতির কারণে কোথাও কোথাও বাঁধ ভেঙে আবার কোথাও বা বাঁধ উপচে জল ঢুকে প্লাবিত হয়েছে  স্থানীয় এলাকা। শুধু সুন্দরবনই নয় সমুদ্রের কোটালে নোনা জলে জলমগ্ন কপিলমুনির মন্দিরও। সব মিলিয়ে নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলিতে এক বন্যার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।  

{link}

বৃহস্পতিবার সাগরদ্বীপের বঙ্কিমনগর এক নম্বর কলোনির কাছে প্রায় ২০০ মিটার নদী বাঁধ নদীগর্ভে তলিয়ে গিয়েছে। শুক্রবার বঙ্কিম নগরে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করতে গিয়ে স্থানীয়দের বিক্ষোভের সম্মুখীন হন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। মন্ত্রীকে দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী। অভিযোগ, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের পর থেকেই বঙ্কিমনগরের নদী বাঁধের অবস্থা বেহাল হয়ে গিয়েছিল। কাঁচামাটির বাঁধ থাকার কারণে স্থানীয়দের অনুমান ছিল যে বড়সড়ো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ভেঙে পড়বে এই নদী বাঁধটি। সেই কথা স্থানীয় পঞ্চায়েতে জানানো হলেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।বৃহস্পতিবার পূর্ণিমার ভরা কোটাল যেন তাদের আশঙ্কাই সত্যি  করে দিয়েছে। মুড়িগঙ্গা নদীর ঢেউয়ের তোরে নদী বাঁধ ভেঙে হু হু করে নোনা জল ঢুকতে থাকে এলাকায়। নোনা জলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চাষের জমিও। একই ছবি দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন উপকূলবর্তী এলাকায়। বোটখালি এলাকায় মুড়িগঙ্গা নদীর বাঁধ উপচে নোনা জল ঢুকতে শুরু করে এলাকায়। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে জলস্ফীতির জেরে  নামখানা ব্লকের ফ্রেজারগঞ্জের হাতিকর্নার এবং দাসকর্নার এলাকার বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে৷ ঈশ্বরীপুর পঞ্চায়েত এলাকায় হাতানিয়া-দোয়ানিয়া নদীতে যে মাটির বাঁধ রয়েছে তাতে ফাটল দেখা দিয়েছে। হুগলি নদীর জোয়ারের জলে ডায়মন্ড হারবার কেল্লার মাঠ সংলগ্ন এলাকাও প্লাবিত হয়েছে।

{link}

এছাড়াও রায়দিঘি, গোসাবা, পাথরপ্রতিমা সহ সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ নদী তীরবর্তী এলাকা গুলিতে কোটালের জোয়ারের জলে প্লাবিত হয়েছে। সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী তথা সাগরের বিধায়ক বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা জানান, রাজ্যের সেচ দপ্তর সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ ভাঙন কবলিত এলাকাগুলিতে স্থায়ী কংক্রিটের নদী বাঁধ নির্মাণের জন্য পরিকল্পনা নিয়েছে। যেখানে যেখানে বাঁধ ভেঙেছে সেখানে মেরামতির কাজ চলছে। আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। মৌসুমি, ঘোড়ামারাদ্বীপ এবং ভাঙন কবলিত এলাকাতেও বাড়তি নজর রাখা হচ্ছে। 

সর্বশেষ আপডেট: