জেলা সভাপতির সঙ্গে টক-ঝাল-মিস্টি সম্পর্ক তার সাথে দলের নিচুতলার কর্মীদের ক্ষোভ এবং তার উপর, জেলার উন্নয়ন না করা। এই সব কারনেই এবার আর মন্ত্রী হওয়া হল না বীরভূমের আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বিরভূম জেলা থেকে ক্যাবিনেটে মন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন একজনই, তিনি চন্দ্রনাথ সিনহা।
{link}
বাম রাজত্বকালেও ভোটে জিতে বিধানসভায় একাধিকবার পা রেখেছেন বীরভূমের আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। রামপুরহাট কলেজের বাংলার অধ্যাপক আশিসবাবু মানুষ হিসেবে জেলায় ভীষণ জনপ্রিয় হলেও রাজনীতিবিদ হিসেবে নন বলে মতামত এক অংশের। তাঁকে নিয়ে দলের নিচুতলার কর্মীদের মধ্যেই প্রতিনিয়ত পুঞ্জীভূত হচ্ছে ক্ষোভ। ফি ভোটের আগে উন্নয়নের একগাদা প্রতিশ্রুতি দিলেও, পূরণ হয়নি স্থানীয়দের বহু আশাই। তাই কর্মী ছাড়াও ভোটাররাও আশিসের উপর খুব একটা সন্তুষ্ট নন। যার জেরে এবার আশিস জিতেছেন কিন্তু জয় এসেছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের শেষে।
তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল তাঁর সঙ্গেও আশিসের সম্পর্ক অম্লমধুর বলে সূত্রের খবর। জেলায় আশিসের বিরুদ্ধে একটি গোষ্ঠীর নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে দলে। সেহেতু অনুব্রতের সঙ্গে আশিসের সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছলেও, আশিস যেহেতু দলের অফিসিয়াল প্রার্থী, তাই তাঁকে জেতাতে লড়াই করেন অনুব্রত। তার জেরে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের শেষেও এবার জয়ের মালা গলায় উঠেছে আশিসের।
{link}
এর আগে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজ্যে দুটি দপ্তরের মন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু এবার পরিস্থিতি ও অতীতের খারাপ রেকর্ডের কারনেই মন্ত্রিত্ব পদ আর পাওয়া হল না বীরভূমের এই পরিচিত রাজনৈতিক মুখের।
