নিমতিতা বিস্ফোরণ তদন্তের নয়া মোড়। বিস্ফোরণের দুদিনের মধ্যে মুর্শিদাবাদের সুতি থানার অরঙ্গাবাদ এলাকা থেকে উদ্ধার ব্যাগ ভর্তি বারুদ। বারুদের ব্যাগ উদ্ধার নিয়ে যথেষ্ট চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে ওই এলাকায়। গতকালই নিমতিতা ষ্টেশনের ছাদ্ ও রেল লাইন থেকে উদ্ধার হয় বিস্ফোরকের ধাতব টুকরো, আহতদের শরীরের বিছিন্ন অংশবিশেষ।
সুতি থানার নিমতিতা রেল ষ্টেশনের সামনে রাজ্যের মন্ত্রী জাকির হোসেন ও তার অনুগামীদের উপর বোমা বিস্ফোরণের যে ঘটনা ঘটেছিল তার রেশ কাটতে না কাটতেই উদ্ধার বোমা তৈরির মশলা। এই ঘটনার জেরে রীতিমতো যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়ায় সুতি থানার অন্তর্গত অরঙ্গবাদ ইলেকট্রিক অফিসের সন্নিকটে। সূত্র মারফত জানা গেছে অরঙ্গবাদ ইলেকট্রিক অফিসের সন্নিকটের একটি পরিত্যক্ত এলাকা থেকে বোমা তৈরীর মশলা বা বারুদ দেখতে পায় স্থানীয়রা। তড়িঘড়ি করে পুলিশে খবর দেওয়া হলে সুতি থানার পুলিশ এসে সেই বারুদের বস্তাটি ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
বারুদের ব্যাগটি সর্বপ্রথম ওই অঞ্চলের স্থানীয়রা দেখতে পান, তারপর তারা পুলিশকে খবর দেন। রাজ্য সরকার, জাকির হোসেনের ওপর হওয়া এই হামলার তদন্তভার সিআইডিকে দিয়েছে, তদন্তে যুক্ত আজিমগঞ্জের জিআরপি-ও, প্রায় দুদিন কেটে গেলো হামলার পর কিন্তু এখনও পর্যন্ত তেমন কোন সুত্র পাওয়া যায়নি, কেউ এখনো পর্যন্ত গ্রেফতার হয়নি। মন্ত্রী ও মন্ত্রীর দেহরক্ষী ছাড়াও ২২ জন গুরুতরভাবে জখম, তাদের মধ্যে ১০ জনকে আনা হয়েছিল এসএসকেএম-এ কারো অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। বুধবার রাত্রে বিস্ফোরণের তীব্রতা বোঝা না গেলেও পরের দিন সকালে বিস্ফোরণের অভিঘাত যে কতটা মারাত্মক হয়েছে তা ছবি দেখলেই বোঝা যাচ্ছিলো। তাহলে কোনদিকে এগোচ্ছে নিমতিতা বিস্ফোরণের তদন্ত? কারা রয়েছে জড়িত এর সাথে? শত্রু নাকি ঘরের কেউ? উত্তর এখনো অজানাই।

