Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 13/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

Nipah Virus: ফের 'নিপা ভাইরাস' -এর আতঙ্ক! এখনও সাবধান না হলে সমূহ বিপদ বলছেন বিশেষজ্ঞরা

Loading... রাজ্য
Nipah Virus: ফের 'নিপা ভাইরাস' -এর আতঙ্ক! এখনও সাবধান না হলে সমূহ বিপদ বলছেন বিশেষজ্ঞরা
#Nipah Virus #Bengali News #Virus Spread #Health #West Bengal Health News #News Update #সংবাদ #নিপা ভাইরাস সংক্রমণ #স্বাস্থ্য

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেক্স: প্রথমেই বলে রাখা দরকার আতঙ্কিত নয়, কিন্তু সাবধান। হঠাৎ দুজন মহিলা স্বাস্থ্য কর্মীর নিপা পজিটিভ রিপোর্ট। তাঁরা দুজনে উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত দুইজনকে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের একজন নদিয়ার বাসিন্দা, অন্যজন কাটোয়ার। হাসপাতাল সূত্রে এবং একাধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর ,দু’জনকেই ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে এবং কাটোয়ার বাসিন্দা নার্সের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। সেই নিয়ে চিন্তিত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা এই নিয়ে কথা বলেছেন বাংলার স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তিনি সব রকম সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। এর পরেই কেন্দ্রের তরফে নজরদারি জোরদার করা, নমুনা সংগ্রহ এবং পর্যাপ্ত বেড প্রস্তুতির জন্য বিশেষ প্রোটোকল তৈরি করা হয়েছে। কলকাতায় নাইসেড এবং স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনে নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি, বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে একটি বিশেষ আইসোলেশন ওয়ার্ড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কীভাবে ওই দুই নার্স সংক্রমিত হলেন এবং তাঁরা কার কার সংস্পর্শে এসেছিলেন, তা খতিয়ে দেখতে সোমবার থেকেই শুরু হয়েছে কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং। ইতিমধ্যে তাঁদের সংস্পর্শে আসা ১৪ জনের নমুনা এইমসে পাঠানো হয়েছে। কাটোয়া ও বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সঙ্গেও যুক্ত একাধিক ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে রাজ্য সরকার দুটি হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে, ০৩৩-২৩৩৩-০১৮০ এবং ৯৮৭৪৭০৮৮৫৮। সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালগুলির জন্যও আলাদা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (এসওপি) তৈরি করা হচ্ছে।

{link}

নিপা ভাইরাস কি ও কিভাবে এর প্রসার ঘটে? 

  নিপাহ ভাইরাস একটি জুনোটিক ভাইরাস, যার মানে এটি প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। নিপাহ ভাইরাস ফলের বাদুড় থেকে প্রাণী ও মানুষের মধ্যে ছড়ায়। ভাইরাসটির নাম মালয়েশিয়ার সুঙ্গাই নিপাহ গ্রাম থেকে এসেছে যেখানে ভাইরাসটি প্রথম শনাক্ত হয়েছিল 1998-1999 সালে। সাধারণত, এই ভাইরাস কুকুর, ঘোড়া, শূকর ইত্যাদি প্রাণীকে প্রভাবিত করে। যদি নিপাহ ভাইরাস মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে, তবে এটি একটি গুরুতর সংক্রমণের কারণ হতে পারে যার ফলে মৃত্যু হতে পারে। নিপাহ ভাইরাস মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে যদি তারা নিপাহ-সংক্রমিত বাদুড়, শূকর বা এমনকি সংক্রমিত মানুষের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ স্থাপন করে।নিপাহ ভাইরাসে ভরা বাদুড়ের নিঃসরণ মানুষকে সংক্রামিত করতে পারে যখন তারা ফলের জন্য গাছে আরোহণ করে, অথবা দূষিত পতিত ফলগুলি পরিচালনা করার সময় বা খাওয়ার সময় বা কাঁচা খেজুরের রস/রস খাওয়ার মাধ্যমে। প্রাণী থেকে মানুষ ছাড়াও, নিপাহ ভাইরাস মানুষের মধ্যেও সংক্রমণ ঘটতে পারে। মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমণ ঘটে যখন একজন সুস্থ ব্যক্তি নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়িতে বা হাসপাতালে চিকিৎসার সময় ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ স্থাপন করে।

সর্বশেষ আপডেট: