শেফিল্ড টাইম্স ডিজিটাল ডেস্ক : বুধবার প্রত্যাশিত ভাবেই বিরুধীরা ওয়াকফ বিলের বিরোধিতা করেন। উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদ। কিন্তু কেন এই বিল? তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)। ওয়াকফের জমি চুরি হয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করে অমিত শাহ বলেন, মুসলিমদের দান করা সেই জমি যাতে সঠিক কাজে ব্যবহার হয়, জমির টাকা যাতে গরিব মুসলিমদের কাজে লাগে, তার জন্যই এই বিল আনা হয়েছে।
{link}
বিলে যে অমুসলিম সদস্যের কথা বলা হয়েছে, শুরুতেই সেই প্রসঙ্গে অমিত শাহ বলেন “একজন মুসলিম তো চ্যারিটি কমিশনার হতেই পারেন। তাঁকে ট্রাস্ট দেখতে হবে না, আইন অনুযায়ী ট্রাস্ট কীভাবে চলবে, সেটা দেখতে হবে। এটা ধর্মের কাজ নয়। এটা প্রশাসনিক কাজ। সব ট্রাস্টের জন্য কি আলাদা আলাদা কমিশনার থাকবে? আপনারা তো দেশ ভাগ করে দিচ্ছেন। আমি মুসলিম ভাই-বোনদের স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আপনাদের ওয়াকফ বোর্ডে কোনও অমুসলিম থাকবে না। এই আইনে এমন কিছু নেই।” শাহ আরও বলেন, “ওয়াকফ পরিষদের কাজ কী হবে জানেন? ওয়াকফের জমি যারা বেচে দিচ্ছে, তাদের ধরে বের করে দেওয়া। ওয়াকফের নামে যারা বছরের পর বছর জমি ভাড়ায় খাটাচ্ছে, তাদের খুঁজে বের করতে হবে।”
{link}
শাহের বক্তব্য, “ওয়াকফের টাকা, যা দিয়ে সংখ্যালঘুদের উন্নয়ন করা দরকার, সেই টাকা যারা চুরি করছে, তাদের ধরার কাজ করবে ওয়াকফ পরিষদ।” একই সঙ্গে কংগ্রেসের দিকেও এদিন আঙুল তোলেন তিনি। মনমোহন সিং সরকারের আমলে যে ওয়াকফ সংশোধনী বিল আনা হয়েছিল, সেই কথা উল্লেখ করে অমিত শাহ বলেন, “২০১৩-তে যে সংশোধনী হয়েছিল, সেটা যদি না করা হত, তাহলে এই বিল আনতে হত না। সব ঠিকই চলছিল। ২০১৪-তে ভোট ছিল। তার আগে রাতারাতি তোষণের জন্য ওয়াকফ আইন চরম পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।”
{ads}