তাহলে তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা শোভন দেব চট্টোপাধ্যায় আর কি মন্ত্রী পদে থাকবেন না? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। গত ২১ মে ভবানীপুরের তৃণমূল বিধায়ক তথা বর্তমান কৃষি মন্ত্রী শোভন দেব চট্টোপাধ্যায় বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। তবে শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়ের ইস্তফা দেওয়ার পরেই জল্পনা ছড়িয়েছিল বহুদূর। যেহেতু রাজ্যে হ্যাটট্রিক করে তৃতীয় বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী গদিতে বসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তিনি নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করেছেন। তবে তিনি নন্দীগ্রামে তৃণমূলের এককালীন নেতা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজয় হন। তবে তার পরেও তিনি মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণ করেছেন।
{link}
সোমবার শোভনদেবের নামেই শিলমোহর দিলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। তৃণা সাহা নয়,খড়দহ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তৃণমূলের বাজি বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। যেহেতু মন্ত্রী, তাই তাঁকেই জিতিয়ে আনা জরুরি। সেই কারণেই ওই কেন্দ্রে বেছে নেওয়া হল শোভনদেবকে। রবিবারে এ বিষয়ে শোভন দেব চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দলের নির্দেশে নেত্রীর জন্যই ভবানীপুর থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছি। ফের দল বলেছে বলেই খড়দহের বিধানসভা কেন্দ্র থেকে উপনির্বাচনে লড়াই করব। তিনি এখন উপনির্বাচনে লড়াই করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। যেহেতু তিনি রাজ্যের কৃষি মন্ত্রী তাই তিনি ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের মোকাবিলায় তৎপর হয়ে পড়েছেন।
{link}
নিয়ম অনুযায়ী, ছ মাসের মধ্যে রাজ্যের কোনও একটি বিধানসভা আসন থেকে তাঁকে জিতে আসতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী ভবানীপুর কেন্দ্র দাঁড়াবেন মনস্থির করায় সঙ্গে সঙ্গে বিধায়ক পদে ইস্তফা দেন শোভনদেব। এবার শোভনদেবের জন্য একটি আসনের প্রয়োজন হয়। কারণ, শোভনদেব কৃষিমন্ত্রী। তাঁকেও জিতে আসতে হবে ছ মাসের মধ্যে। রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই কারণেই তৃণা নন, শিলমোহর পড়ল শোভনদেবের নামেই। কারণ, তৃণার আশু জিতে আসার কোনও প্রয়োজন নেই, নেই গরজও। তাই খড়দহ কেন্দ্রে শোভনদেবকেই প্রার্থী করা হল বলে তৃণমূল সূত্রে খবর।
.jpeg)
