কয়েক বছর আগে নারদা কান্ড সম্পর্কিত ভিডিও প্রকাশ ঘিরে তোলপাড় হয়ে যায় রাজ্যে রাজনীতি। তার পরেই সেই বিষয়কে ঘিরে কার্যত একাধিক বার ওঠানামা করতে থাকে উত্তেজনার পারদ। কিন্তু এবার কার্যত সেই পারদ গিয়ে ঠেকেছে তার শীর্ষবিন্দুতে। সোমবার সকালে হঠাতই বাংলার এই মুহুর্তের রাজনৈতিকভাবে অন্যতম বড়ো চার মুখকে গ্রপ্তার করা হয়েছে। শোভন চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং এই তালিকাইয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্নভাবে নাম রয়েছে ফিরহাদ হাকিমের।
{link}
আজ সকালে হঠাতই কোন পূর্ব নোটিশ ছাড়া গ্রেপ্তার করা হয় তৃণমূলের এই চার নেতাকে। এবং সেই মুহূর্ত থেকেই এই বিষয়কে নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বাস্তবিক ভাবেই কোন পূর্ব নোটিশ এবং তার পাশাপাশি কি কারনে ও কি জন্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এই কথাও পরিস্কার নয় ধৃতদের পরিবারের কাছে, তাই যারপরনাই ক্ষুদ্ধ হয়েছেন তারা। সকাললল থেকেই জমায়েত এর সাথে সাথে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ। নিজাম প্যালেসে সকল নেতার পরিবারের সদস্যেরা এসে আইনজীবিদের সাথে কথা বলেছেন। এমনকি আমাকেও গ্রেপ্তার করুন, এ কথা বলতে শোনা গেছে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীকে। ফলে পুরো ব্যাপারটাই এখন কার্যত ধোঁয়াশার মতো অপরিস্কার হয়ে আছে রাজ্যবাসীর কাছে।
{link}
অন্যদিকে আবার প্রশ্ন উঠছে, ফুটেজে তো মুকুল রায় ও শুভেন্দু অধিকারী কেও দেখা গিয়েছিল। তবে তাদের গ্রেপ্তার করা হল না কেন? গেরুয়া শিবিরে যোগদান করার ফলেই নাম কাটা গেল তালিকা থেকে ? এই বিষয়কে ঘিরে যে রাজনৈতিক জল অনেক দূর গড়াতে চলেছে সেকথা কার্যত জলের মতোই পরিস্কার। শেষ পর্যন্ত কি হবে… এবিষয়ে ধারনা করা ভীষন রকম ভাবেই কঠিন
.jpeg)
