একদিকে প্রাক্তন সাংবাদিক, অন্যদিকে হাওড়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজনীতিবিদের কন্যা। হাওড়া দক্ষিন বিধানসভা কেন্দ্রের লড়াই কিন্তু এবারে বেশ জমাটি। হাওড়ার অন্যতম এই দুই গুরুত্বপূর্ন কেন্দ্রের ঘাসফুল ও পদ্মফুলের পদপ্রার্থী যথাক্রমে নন্দিতা রায় এবং রন্তিদেব সেনগুপ্ত। একদিক থেকে বিচার করলে রন্তিদেব সেনগুপ্তর এর আগে ভোটে লড়াই করার অভিজ্ঞতা থাকলেও নন্দিতা চৌধুরী ভোটের লড়াইয়ের ময়দানে এইবার প্রথম। কার জেতার সম্ভাবনা বেশি? কাকেই বা চাইছেন হাওড়া দক্ষিন বিধানসভা কেন্দ্রের সাধারন মানুষ? ঠিক কি বলছে পরিস্থিতি ? প্রার্থীরাই বা কতোটা আশাবাদী নিজেদের জেতার ব্যাপারে?
উল্লেখ্য বিষয় শেষবারে হাওড়া থেকেই লোকসভায় প্রসূন ব্যানার্জির বিরুদ্ধে লড়েছিলেন রন্তিদেব সেনগুপ্ত। জয় আসেনি, জয়ী হয়েছিলেন প্রসূন ব্যানার্জি। কিন্তু তাও ১৯-র লোকসভা নির্বাচনের পর এবার ২১-এর বিধানসভা নির্বাচনেও নিজদের পুরোনো সৈনিকের উপরেই আস্থা রেখেছে পদ্মফুলের শিবির। অন্যদিকে দক্ষিন হাওড়া বিধানসভা কেন্দ্রে এবার তৃনমূলের প্রার্থী অম্বিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কন্যা নন্দিতা চৌধুরী। রাজনৈতিক পরিবারেই জম্ন নন্দিতা চৌধুরীর, বাবা প্রায়ত অম্বিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, হাওড়ার নামি কংগ্রেসী নেতা। বেশ কয়েকবার তিনি বিধায়ক ও হয়েছেন মধ্য হাওড়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে। ২০০৯-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে তিনি কংগ্রেস ছেড়ে তৃনমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। মমতা বন্দোপাধ্যায় তাকে ২০০৯-এর লোকসভা নির্বাচনে হাওড়া সদর লোকসভা কেন্দ্রে তাকে প্রার্থী করেন। বামেদের দুর্ভেদ্য দুর্গ ভেঙে জয়ী হন অম্বিকা ব্যানার্জি। সেই থেকেই হাওড়ায় পথ চলা শুরু তৃনমূলের। তার বাবার যেরূপ রাজনৈতিক সচেতনতা ছিল সেইরূপ বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে কি তিনিও পারবেন বাবার মতোই জয়ের ধারা বজায় রাখতে? নাকি জয় ছিনিয়ে নেবেন প্রাক্তন সাংবাদিক? সব প্রশ্নেরই উত্তর পাওয়া যাবে ২রা মে ফল ঘোষনার পর।
