বেপরোয়া গতি, মৃত বাইক আরোহী গুরুথ আহত বাইকে থাকা বাকি দুজন। মৃত সাগর কেওড়া নামে বছর সতেরোর এক যুবক। স্থানীয় সুত্রে খবর তালসাগরা গ্রামের এই তিন যুবক সেদিন বাইকে করে বাড়ি থেকে জামকুড়ি বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। ঠিক সেই সময়ে উল্টোদিক থেকে ছুটে আসা এক প্রবল গতিসম্পন্ন ডাম্পারের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় ওই তিন বাইক আরোহীর। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় চালক যুবকের। বাকি দুই যুবককে স্থানীয়রা উদ্ধার করেন এবং নিয়ে যান বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে। সেখানে একজনের অবস্থা আরও আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ায় তাকে স্থনান্তরিত করা হয় বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। এলাকাবাসী ঘিরে ধরেন ঘাতক ডাম্পারটিকে। ডাম্পারটিকে আটক করা গেলেও পলাতক ডাম্পার চালক ও খালাসী। মৃতদেহ সামনে রেখে পথ অবরোধে বসেছেন বাঁকুড়ার পাত্রাসায়ের থানার গাঁপুকুর এলাকার লোকজন। এলাকায় যান নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে দীর্ঘদিনধরে চলছে অবরোধ। অবরোধের জেরে যানজট দেখা দিয়েছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে পাত্রসায়ের পুলিশ কিন্তু তাসত্বেও অবরোধ তোলার ব্যাপারে নিষ্ক্রিয় পুলিশ প্রশাসন। যান নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে কোনোরকম সচেতনতা না থাকায় এই এলাকাতে অবাধ গতিতে যান চলাচল করে। আর মাঝে মাঝেই ঘটতে দেখা যায় বিপদ। তেমনই বিপদ ঘটল আবারও পৃথিবী থেকে বিদায় নিল একটি তাজা প্রান।
গ্রামবাসিদের দাবি অতিরিক্ত গতির কারনেই ঘটেছে এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। এলাকাতে নিয়ন্ত্রনহীন যানবাহনের জন্য অনেকবারই গ্রামবাসী দাবি জানিয়েছিল স্থানীয় প্রশাসনের কাছে। কিন্তু কোনোরকম প্রতিকার হয়নি। আর তারপরই ঘটে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। স্থানীয়দের সাথে মৃত ও আহত পরিবারের দাবি প্রশাসন থেকে দেওয়া হোক ক্ষতিপূরণের অর্থ এবং অবিলম্বে যাননিয়ন্ত্রণ ব্যাবস্থা সঠিক করা হোক, তবেই রাস্তা থেকে তোলা হবে মৃতদেহ। এলাকাবাসী বিক্ষোভ দেখিয়ে পথ অবরোধ করে রাখলেও স্থানীয় পুলিশ এই বিষয় কোনোরকম পদক্ষেপ নিচ্ছেন না বলেই দাবি মৃতের পরিবারের।
.jpeg)
