নিজস্ব সংবাদদাতা: ভাগ্য পরীক্ষা খেলায় দিনের শেষে রাজা হতে কে না চায়? এরকম রাজা বনে যাওয়ার স্বপ্ন কে না দেখে? এহেন একাধিক লটারি হয় রাজ্যের বুকে। যার হাত ধরে নিয়মিত ভাগ্যের চাবি খুলে যাচ্ছে একাধিক মানুষের। এবার সেই এক কোটি টাকার লটারির টিকিটের তদন্তে নেমে অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সুকন্যাকে পরপর জেরা করছিল সিবিআই। যেখানে বেশ কয়েকবার জয়ী হয়েছেন অনুব্রত। আর এরই মধ্যে বেরিয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। সিবিআইয়ের দাবি, আরও তিনটি লটারির টাকার হদিশ পেয়েছেন তাঁরা। এর মধ্যে দুটি লটারির টাকা ঢুকেছে সুকন্যার অ্যাকাউন্টেই। যার পরিমাণ প্রায় ৫১ লক্ষ টাকা। এছাড়া ২০১৯ সালে অনুব্রতর একটি অ্যাকাউন্ট লটারির ১০ লক্ষ টাকা ঢুকেছিল বলে দাবি তদন্তকারীরদের।
{link}
জানা গিয়েছে, ৫৪০৪৫ নম্বর টিকিটে লটারি জিতেছিলেন অনুব্রত। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এই টিকিটেই এক কোটি টাকা জিতেছিলেন অনুব্রত। সেই টিকিট কেনা হয়েছিল বীরভূমের নানুর বিধানসভার নাহিনা গ্রাম থেকে। বোলপুর থেকে সেই গ্রামটি অবস্থিত ১৫ কিমি দূরে। ০৭-১২-২১ টিকিটে পুরস্কার পেয়েছিলেন। ১৭ -০১- ২২ লটারি জয়ের পর এই নিয়ে তৎপরতা শুরু করেছে সিবিআই ও ইডি। লটারির টিকিট টি ছিল রাহুল লটারির। ছবিসহ অনুব্রত মণ্ডলের নাম প্রকাশ হয় লটারি এজেন্সির ওয়েবসাইটেও। কিন্তু গাঙ্গুলি লটারি নামে অন্য একটি এজেন্সি থেকে টাকাটি ভাঙানো হয়েছিল। একটি টিকিটেই এক কোটি টাকা পুরস্কার পেয়েছেন অনুব্রত। বিজ্ঞাপনে নাম ওঠে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতির। তদন্তকারীদের সন্দেহ, কালো টাকা সাদা করার চক্রের সঙ্গে জড়িত এই লটারি। সেই মতো তদন্ত করছে সিবিআই। এখন প্রশ্ন উঠছে, বার বার কী করে লটারি জিততেন অনুব্রত মণ্ডল বা তাঁর মেয়ে সুকন্যা? সেই নিয়েই দানা বেঁধেছে সন্দেহ। তবে কি এবার আরও এক নতুন রহস্যের পর্দাফাঁস হতে চলেছে?
