প্রজাতন্ত্র দিবসে শহর সহ গোটা রাজ্যে কড়া নজরদারির ব্যাবস্থা রাজ্য সরকারের।কাল ২৬ শে জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসে যাতে কোনোরকম নাশকতার ঘটনা না ঘটে তাই সীমান্ত গুলিতে নজরদারি আরও কড়াকড়ি করা হচ্ছে।বিমানবন্দর থেকে রেলস্টেশন কড়াকড়ির ছায়া সর্বত্র। শহরের যে গুরুত্বপূর্ণ ভবনগুলি রয়েছে সেখানেও বাড়ানো হয়েছে নজরদারি ব্যাবস্থা।ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল থেকে ফোর্ট উইলিয়াম, প্রত্যেকটি জায়গাতেই চলছে চেকিং।কলকাতার রেড রোডের কুচকাওয়াজকে পাখির চোখের মতো করে নজর রাখা হচ্ছে।সুত্রে খবর, কালকে রেড রোডে উপস্থিত থাকবে কয়েকশো পুলিশ।সাথে থাকবেন পুলিশের অনান্য উচ্চপদস্থ কর্মচারীরা। এছাড়াও থাকবে ৪টি বঙ্কার, কলকাতা পুলিশের স্নিফার ডগও, কিন্তু থাকছেনা কোন ওয়াচ টাওয়ার।তবে শোনা যাচ্ছে বহুতল বাড়ির ওপর থেকে চলবে নজরদারি।২৬ তারিখ অর্থাৎ কাল সকাল থেকে শহরের রাস্তায় থাকবেন ডিসি, জয়েন্ট সিপি পদ মর্যাদার অফিসাররা। চেকিং চালানো হল হাওড়া স্টেশনেও।গোলাবাড়ি থানা, জি আর পি, আর পি এফ, বোম্ব স্কোয়াড, স্নিফার ডগ নিয়ে চালানো হচ্ছে তল্লাশি। বাংলা ঝাড়খণ্ড সীমান্তে ডুবুরি চেকপোস্টে শুরু করা হয়েছে নাকা তল্লাশি।ডুবুরি চেকপোস্ট এলাকায় তল্লাশি শুরু করেছেন কুলটি থানার চৌরঙ্গী ফাঁড়ির পুলিশ।এই দিন চৌরঙ্গী থানার বড়বাবু অনন্ত রায় নিজে উপস্থিত থেকে কাজ করাচ্ছেন।ঝাড়খণ্ড থেকে আগত সমস্ত গাড়ি দাঁড় করিয়ে পরীক্ষা করা হচ্ছে।২নং জাতীয় সড়কের বাংলা সীমান্তের প্রবেশ পথে ডুবুরি চেকপোস্টেও চলছে চেকিং, কুলটি থানার পুলিশ শুরু করেছে নজরদারি রখা।পাশাপাশি চেকপোস্ট, লজ ও হোটেলগুলিতেও বাড়ানো হচ্ছে নজরদারি।এদিন পুলিশ কমিশনার সুখেস জৈন বলেন, “সমস্ত থানা গুলিকেই এলার্ট করা হয়েছে”। প্রত্যকটি গাড়ির ডিকি খুলে, শুধু তাই নয় গাড়ির ভিতরের অংশও খতিয়ে দেখছেন পুলিশ। শুধু বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমান্তই নয়, পাশাপাশি অনান্য রাজ্য সীমান্তেও আগত গাড়ি গুলিতেও পরীক্ষা চালানো হচ্ছে। যাত্রীদের ওপরেও বিশেষ নজরদারি করা হচ্ছে। প্রয়োজন মনে করলে ভীন রাজ্য থেকে আশা যাত্রীদের পরিচয় পত্রও দেখে নিচ্ছে পুলিশ।কোনোরকম আগ্নেয়স্ত্র ও বিস্ফোরক বা অন্য কিছু নিয়ে যাতে কাউ এরাজ্যে প্রবেশ করতে না পারে।
৭২তম প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে সারা দেশ জুড়ে নাশকতার ভয়ে সুরক্ষার চাদরে মুড়ে দেওয়া হচ্ছে।শান্তিপূর্ণভাবে যাতে কালকে রাজ্যবাসী প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করতে পারে তার জন্যই প্রতিবারের মতো এবারেও সুরক্ষা ব্যাবস্থাতে কোনোরকম ত্রুটি রাখছেন না রাজ্যের পুলিশ।
