শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: খবরটা বাইরে আসতে অবশ্য কিছটা সময় লাগল। ইতিমধ্যে বিজেপি ও তৃণমূলের প্রার্থী হওয়ার জন্য জীবনপঞ্জি জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সূত্রের খবর গত ৩১ জানুয়ারি রিঙ্কু মজুমদার নিজের জীবনপঞ্জি জমা করেছেন। ওইদিন সন্ধ্যায় বিজেপির সল্টলেকের দপ্তরে গিয়ে একজনের হাতে এই জীবনপঞ্জি তুলে দিয়েছেন রিঙ্কু মজুমদার। ওই জীবনপঞ্জিতে রিঙ্কু তিন আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন বলে খবর। প্রথমেই মেদিনীপুর শহর, তারপর বীজপুর এবং নিউটাউনে লড়তে চেয়েছেন তিনি। ওই জীবনপঞ্জির ছত্রে ছত্রে বিজেপিতে তাঁর কাজের কথা লিখেছেন সাপুরজির প্রাক্তন বাসিন্দা। ওই জীবনপঞ্জির প্রথমেই তিনি লিখেছেন, তৃণমূল স্তরের এবং সামাজিকভাবেও একজন সক্রিয় নেত্রী তিনি। এর সঙ্গেই উঠে এসেছে দলের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর কাজের কথা। তিনি বর্তমানে কী কী করেন বা করেছেন, সেই বিষয়টিও ওই জীবনপঞ্জিতে তুলে ধরেছেন দিলীপ ঘোষের স্ত্রী। সূত্রের দাবি, রিঙ্কু মজুমদারের প্রার্থী হতে চেয়ে জীবনপঞ্জি জমা দেওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দিলীপ ঘোষ নিজেও! উল্লেখ্য, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির দলীয় দপ্তরে আসছে বহু জীবনপঞ্জি। অনেকেই নিজেদের ‘সিভি’ জমা দিচ্ছেন প্রার্থী হতে চেয়ে।
{link}
প্রসঙ্গে রিঙ্কু মজুমদারের দাবি, “আমি মিসেস ঘোষ হয়েছি মাত্র কয়েক মাস হল! কিন্তু ২০১৩ সাল থেকে নিউটাউনে থাকি। দলের কাজ করেছি। বিয়ে, ছেলের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু আমার পরিকল্পনাতেই ছিল মানুষের জন্য কাজ করব! সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেছি। আর সিভি তো অনেকেই জমা করছেন। আমার তো একটা রাজনৈতিক সত্ত্বাও আছে, আমি চাই লড়াই করতে, জিততে চাইব অবশ্যই।” বাইপাসের ধারে তৃণমূল দপ্তরেও বসেছে জীবনপঞ্জি জমা দেওয়ার বাক্স। এবার ভোটের আগে দিলীপ পত্নীর এমন উদ্যোগ, রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন অনেকেই। এখন দেখার দিলীপ ভাগ্য কতটা সদয়।
{ads}