শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: গত ২৫ আগস্ট বালি কারবারে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে ঝাড়গ্রাম থানার কনস্টেবল রতন প্রামাণিককে ACB গ্রেফতার করার ঘটনাকে ঘিরে জেলাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ঝাড়গ্রাম থানার আরও এক আফিসার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করল জেলা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, কাজে গাফিলতির অভিযোগে ঝাড়গ্রাম থানায় কর্মরত ASI গোরাচাঁদ রায়কে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তিনি বাঁধগোড়া অঞ্চলের দায়িত্বে থাকা অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর সঙ্গে দায়িত্বে থাকা ১০ জন সিভিক ভলান্টিয়ারকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
সূত্রের খবর, বাঁধগোড়া অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক বিষয় সামনে আসার পরই জেলা পুলিশের নজরে আসে গোটা বিষয়টি। এরপরই অঞ্চলের দায়িত্বে থাকা ASI-সহ তাঁর অধীনে কর্মরত ১০ জন সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে তাঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে, সেই বিষয়ে জেলা পুলিশের তরফে এখনও বিস্তারিতভাবে কিছু জানানো হয়নি।
একদিকে বালি কারবারে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে কনস্টেবল গ্রেফতার, অন্যদিকে তার পরেই একই থানার এক ASI এবং ১০ জন সিভিক ভলান্টিয়ারকে সাসপেন্ড—পরপর এই ঘটনায় ঝাড়গ্রাম পুলিশ মহলে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বাঁধগোড়া অঞ্চলে আসলে কী ঘটেছিল এবং দায়িত্বে থাকা আধিকারিক ও সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধে কী ধরনের গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জল্পনা।
এ বিষয়ে ঝাড়গ্রাম বিধানসভার বিধায়ক লক্ষীকান্ত সাউ বলেন, “একের পর এক ঝাড়গ্রাম থানার অফিসার সাসপেন্ড হওয়ার মুখে। তদন্ত চলছে, কেউ ছাড় পাবে না।”
জেলা পুলিশের এই ধারাবাহিক পদক্ষেপে তদন্ত কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।
Jhargram:কাজের গাফিলতিতে সাসপেন্ড ASI,সঙ্গে ১০ ভলেন্টিয়ার!
Loading...
রাজ্য
#Jhargram
#West Bengal
#Suspend
#Police
#Civic
#Volenter
#ঝাড়গ্রাম
#পুলিশ
#সাসপেন্ড
#গাফিলতি
সর্বশেষ আপডেট:
